কারও কাছে জরুরি বার্তা পৌঁছনোর একমাত্র মাধ্যম মোবাইল। বিশেষ করে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগের জন্য মোবাইলই ভরসা। কিন্ত অনেক সময়ই দেখা যায় জরুরি পরিস্থিতিতে মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই। অনেক সময় ইন্টারনেটও কাজ করে না। এরকম সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। জানেন কি নেটওয়ার্ক ছাড়া কীভাবে বার্তা পৌঁছে দিতে পারবেন? উপায় জানিয়ে দিল ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব ও ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট।
সোদপুর রেলওয়ে পার্কে তারই বিশেষ মহড়া করল হ্যাম রেডিও। একাধিক হ্যাম রেডিও স্টেশন তৈরি করে শুরু হল বিপর্যয়ের মহড়া। একসঙ্গে ১০ টি অস্থায়ী রেডিও স্টেশন তৈরি করে বার্তা বিনিময়। দুই সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা করার মেলবন্ধন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় মোবাইল পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময় যারা বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাদের জন্য যোগাযোগ করা খুবই জরুরী। হ্যাম রেডিওর ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাব দেশের বিপর্যয়ে এই কাজ সাফল্যের সঙ্গে করে চলেছে। নতুন প্রজন্মের ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে মানসিক প্রস্তুতির জন্য এবার তাদের হাতেই তৈরি হবে অস্থায়ী হ্যাম রেডিও স্টেশন।
সোদপুর রেলওয়ে পার্কে বিশেষ মহড়া করল হ্যাম রেডিও।
বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য হ্যাম রেডিও কি ভাবে দ্রুত স্থাপন করে বার্তা বিনিময় করা হয়, তার এক যৌথ মহড়া হয় সোদপুরে। NDRF 2ND BN-এর কমিউনিকেশন আধিকারিক, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিকরা সহ সরকারি আধিকারিকরা ও পানিহাটি পুর প্রসাশক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের ও IACDM এর প্রশিক্ষিতরা অংশ নেন। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বিপর্যয়ে কর্মরত সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে হাতে কলমে রেডিও স্টেশন তৈরী করে বার্তা বিনিময় করে।
সাধারণত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিকম্প, বন্যার মতো পরিস্থিতিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে কীভাবে দ্রুত জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায় এবং বিপদগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া যায়, মকড্রিলের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়।
