shono
Advertisement

দিঘার ঝাউবন ধ্বংস করে বেআইনি নির্মাণ! তদন্ত কমিটি গঠন গ্রিন ট্রাইবুনালের

ঝাউবন ধ্বংস ও সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে সরব পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত।
Posted: 12:42 PM Jul 29, 2023Updated: 01:49 PM Jul 29, 2023

গোবিন্দ রায়: সমুদ্র উপকূল আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র দিঘার ঝাউবন ধ্বংসের অভিযোগ। আর এই অভিযোগের জল গড়াল জাতীয় পরিবেশ আদালতেও। শুধু তাই নয়, ঝাউবন ধ্বংসের পাশাপাশি সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় একাধিক বেআইনি নির্মাণেরও গুরুতর অভিযোগে সরব পরিবেশবিদ সুভাষ দত্তর।

Advertisement

পরিবেশবিদের তোলা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করল জাতীয় পরিবেশ আদালতের বিচারক বি অমিত স্থলেকার ও বিচারক ডক্টর অরুণ কুমার ভর্মারর ডিভিশন বেঞ্চ। ওই কমিটিতে রয়েছেন, রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের অভিজ্ঞ গবেষক, ন্যাশনাল সেন্টার ফর সাসটেনেবল কোস্টাল ম্যানেজমেন্ট চেন্নাইয়ের বিশেষজ্ঞ,  ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটির বিশেষজ্ঞ এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক। আদালত জানিয়েছে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ঝাউবন ধ্বংসের বিষয়ে এবং বেআইনি নির্মাণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তদন্তে এক মাস সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৯ আগস্ট।

[আরও পড়ুন: ইডি’র চার্জশিটে ‘কালীঘাটের কাকু’র সঙ্গে অভিষেকের যোগাযোগের উল্লেখ! পালটা তোপ কুণালের]

আদালতে মামলাকারী পরিবেশবিদ সুভাষ দত্তের অভিযোগ, সমুদ্র উপকূলের আইন না মেনে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র দিঘায় ঝাউবন ধ্বংস করে ব্যাঙের ছাতার মতো বেআইনিভাবে নির্মাণ গজিয়ে উঠছে। এনিয়ে একাধিক স্যাটেলাইট ইমেজ ও বহু ছবি তুলে ধরেন সুভাষবাবু। জাতীয় পরিবেশ আদালতে এই বেআইনি নির্মাণ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর বলেও দাবি করেছেন তিনি।

তার আবেদনের ভিত্তিতে রাজ্যের কাছে মামলায় রিপোর্ট তলব করা হয়। মামলায় রাজ্যের উপকূল ম্যানেজমেন্ট ও মেদিনীপুরের জেলাশাসকের তরফে রিপোর্ট দিয়ে জানানো হয় কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। সবটাই আইন মেনে করা হয়েছে। এগুলি সবই অস্থায়ী নির্মাণ বলেই জানানো হয়। উপকূলবর্তী এলাকায় কোনও স্থায়ী নির্মাণ হয়নি।

[আরও পড়ুন: যিশুর প্রতি আনুগত্যের প্রতীক টাই! আজব দাবি তালিবানের]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement