shono
Advertisement
Baruipur Incident

বারুইপুর কাণ্ডে জিরো টলারেন্স, এবার যুক্ত হল গণধর্ষণের ধারাও, পুলিশ হেফাজতে দুই

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন আদালতে অভিযুক্তদের হয়ে কোনও আইনজীবী সওয়াল করেননি।
Published By: Kousik SinhaPosted: 06:28 PM Jul 06, 2026Updated: 06:44 PM Jul 06, 2026

বদলের বাংলায় ধর্ষণ-খুনের মতো ঘটনায় জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। জঘন্য এই অপরাধের ঘটনায় এবার গণধর্ষণের মামলা রুজু করল পুলিশ। খুনের পাশাপাশি গণধর্ষণের ধারা ৭০ (২)-ও যোগ করা হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে আজ, সোমবার দুজনকে আদালতে তোলা হয়। ধৃত দুজনকেই ১৪ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, আদালত পুলিশের সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। অন্যদিকে ধৃত আরেকজনকে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হবে বলে খবর।

Advertisement

সোমবার দুপুরে বারুইপুর বাজার থেকে আনন্দ সর্দার নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাকেই মূল অভিযুক্ত বলে তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।

বারুইপুরে অশান্তির সূত্রপাত রবিবার সকাল থেকে। পুকুর থেকে নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ধপধপি এলাকা। নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগে সরব স্থানীয় বাসিন্দারা মৃতদেহ রাস্তায় রেখে অববোধ করেন, চলে রেল অবরোধও। ঘটনার খবর কানে পৌঁছতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কথা বলেন নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে। দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর নির্দেশে বিকেলের মধ্যেই ৬ সদস্যের সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়। তবে ঘটনার পরেই প্রভাস মণ্ডল এবং পরে দিবাকর সর্দার নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিন ধৃত দু'জনকে আদালতে তোলা হলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানান সরকারি আইনজীবী। 

এদিন আদালতে সরকার পক্ষের আইনজীবী ঘটনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। শুধু তাই নয়, আইনজীবী জানান, ঘটনা খুবই স্পর্শকাতর। জঘন্যতম অপরাধ। তদন্তের প্রয়োজনে অভিযুক্তদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন আদালতে অভিযুক্তদের হয়ে কোনও আইনজীবী সওয়াল করেননি। অন্যদিকে সোমবার দুপুরে বারুইপুর বাজার থেকে আনন্দ সর্দার নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাকেই মূল অভিযুক্ত বলে তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনায় আর কে বা কারা জড়িত তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

নাবালিকার মৃতদেহের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, যৌন নির্যাতনের পর ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যখন তাকে পুকুরে ফেলা হয়েছিল, তখনও সে বেঁচে ছিল। সূত্রের খবর, মেয়েটির মাথায় ক্ষত রয়েছে। কোনও ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করা বা কোনও জায়গায় মাথা ঠুকে দেওয়ার ফলে এই ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। তার যৌনাঙ্গের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement