ঘরে ঘরে মধ্যবিত্তের নাগালে প্রয়োজনীয়, ভালো মানের ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার এক মাইকফলক পেরোল পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যজুড়ে এক হাজারেরও বেশি 'জন ঔষধি কেন্দ্র' (Jan Aushadhi Kendra West Bengal) পুরোদমে চালু রয়েছে, যেখানে ব্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় প্রায় ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ কম দামে জেনেরিক ওষুধ কিনে নিতে পারেন সাধারণ মানুষ। কলকাতা থেকে জেলার কোথায় কত 'জন ঔষধি কেন্দ্র' আছে, তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অমিত মালব্য।
পশ্চিমবঙ্গে মোট ১ হাজার ১৪ টি 'জন ঔষধি কেন্দ্র' রয়েছে। যার মধ্যে শীর্ষস্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে রয়েছে ২০৩টি কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতেও জন ঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা নেহাত কম নয়। কলকাতায় ১৬২ টি এবং হুগলি ও হাওড়া জেলায় ১০৯ টি কেন্দ্র চালু রয়েছে।
রাজ্য সভায় পেশ করা কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য তুলে ধরে এক্স হ্যান্ডেলে অমিত মালব্য লেখেন, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট ১ হাজার ১৪ টি 'জন ঔষধি কেন্দ্র' রয়েছে। যার মধ্যে শীর্ষস্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, যেখানে রয়েছে ২০৩টি কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতেও জন ঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা নেহাত কম নয়। কলকাতায় ১৬২ টি এবং হুগলি ও হাওড়া জেলায় ১০৯ টি কেন্দ্র চালু রয়েছে।
অমিত মালব্য তাঁর সমাজ মাধ্যমে লেখা পোস্টে উল্লেখ করেছেন, এই থমকে যাবে সাফল্য। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও ৪৬৯টি নতুন 'জন ঔষধি কেন্দ্র' খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দূর থেকে আসা রোগীরা সরাসরি হাসপাতাল থেকে সুলভে দরকারি ওষুধ কিনতে পারবেন। স্বাস্থ্যপরিষেবা বিলাসিতা নয়, বরং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবেই তাঁর এক্স-পোস্টে উল্লেখ করেন অমিত মালব্য।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যবিমা 'আয়ুষ্মান ভারত' প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার অর্থাৎ ৬ কোটি মানুষ বছরে ৫ লাখ পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার আওতায় আছেন। সেইসঙ্গে, তালিকার বাইরে থাকা ৮০ লক্ষ পরিবারের চিকিৎসার জন্য 'মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা'-র সুযোগও রয়েছে।
