shono
Advertisement
Shantipur

শান্তিপুরে সিন্দুক রহস্য! মাটি খুঁড়তেই আতঙ্ক, শিকলে বাঁধা সিন্দুকের পাশে 'পাহারাদার' সাপ

ব্লক অফিস চত্বরের এক পরিত্যক্ত ভবনে মাটির নিচে মিলল এই রহস্যজনক সিন্দুক।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:18 PM Aug 17, 2026Updated: 01:29 PM Aug 17, 2026

মাটি খুঁড়তেই তীব্র আতঙ্ক নদিয়ার শান্তিপুরে (Shantipur)। সিন্দুক ঘিরে রহস্য ঘনাল এলাকায়। ব্লক অফিস সংস্কারের কাজের জন্য মাটি খোঁড়া হচ্ছিল। অফিস চত্বরের একটি পরিত্যক্ত ভবনের মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল লোহার বিশাল মাপের সিন্দুক, তার চারপাশে শেকল বাঁধা, সাপেদের ডেরা! তা দেখেই পালিয়ে যান কর্মীরা। পরে অবশ্য বিডিও, বনদপ্তরের কর্মীদের উপস্থিতিতে সবটা স্পষ্ট হয়। জানা যায়, বহু প্রাচীনকালের ওই সিন্দুক। আলমারির মতো বড়। তবে তার ভিতরে ঠাসা শুধু মাটি আর কিছু ছেঁড়া কাগজপত্র। পঞ্চায়েত সমিতির তরফে জানানো হয়েছে, পরিত্যক্ত ভবনটি বহু পুরনো। সিন্দুকটি হয়ত সেসময় কিছু রাখার জন্য ব্যবহার করা হতো। পরে তা বাতিল হয়ে যায়।

Advertisement

শান্তিপুর ব্লক অফিস চত্বরে একটি পরিত্যক্ত ভবনের মাটির নিচে ভারী সিন্দুক মিলেছে, এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাটির গভীরে থাকা ওই সিন্দুকের চারপাশে মোটা লোহার শিকল জড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। সিন্দুকটি কীভাবে সেখানে এল, কতদিন ধরে মাটির নিচে রয়েছে এবং তার ভিতরে কী রয়েছে - এই সমস্ত প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয়ে যায় তুমুল আলোচনা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন শান্তিপুরের বিডিও সব্যসাচী রায়, পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী-সহ প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্যরা। তাঁদের উপস্থিতিতেই শুরু হয় মাটির নিচে থাকা সিন্দুকটি উদ্ধারের কাজ। তবে তা অত্যন্ত বড়, ভারী হওয়ায় তা উদ্ধার করতে সময় লেগেছে অনেকটা।

শান্তিপুরের ব্লক অফিসে সংস্কারের কাজ চলাকালীন মাটি খুঁড়ে বেরল রহস্যময় সিন্দুক, নিজস্ব ছবি

উপস্থিত জনতা কৌতূহলী হয়ে ওঠে, সিন্দুকটি মাটির এতটা গভীরে কীভাবে এল? পুরনো ব্লক অফিসের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, নাকি বহু বছর আগে কোনও কারণে সেটি সেখানে রাখা হয়েছিল? সিন্দুকটির ভিতরে নথিপত্র, মূল্যবান সামগ্রী বা অন্য কোনও বস্তু রয়েছে কি না, তা জানতে সকলের মধ্যেই তৈরী হয় কৌতূহল। কিন্তু সিন্দুকটি মাটি থেকে সম্পূর্ণভাবে বের করে খোলার পরই সব কৌতূহলের অবসান ঘটে। সবার সব জল্পনা ভুল প্রমাণ করে দেখা যায়, ওই সিন্দুকে মাটি ছাড়া কিছুই উদ্ধার হয়নি।

পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন, ‘‘একটা বড় আলমারি মাপের ছিল ওই সিন্দুকটি। কিন্তু ভিতরে মাটি পাওয়া যায়। আর দু-একটা পুরনো, ছেঁড়া কাগজ। আসলে ওই ঘরটি বহু পুরনো। সম্প্রতি ঘরটি মেরামতের কাজ শুরু হয়েছিল। রবিবার সেখানেই এই সিন্দুকটি পাওয়া যায়। যাঁরা কাজ করছিলেন, তাঁরা ওই মাটি খুঁড়ে সাপ দেখে ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। আমরা খবর পেয়ে বিডিও-কে নিয়ে যাই। তারপর খননকাজ শেষ হয়েছে। মাটি ছাড়া কিছু পাওয়া যায়।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement