কলকাতা হাই কোর্টে আজ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ঘিরে 'চোর চোর' স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি জানান, এই সংস্কৃতি বিজেপির নয়। এই পরিস্থিতি তৃণমূলই তৈরি করেছে। এদিন ফের একবার ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন তিনি। শমীক জানান, খুনের বদলে খুনের রাজনীতি বরদাস্ত নয়, রাজ্যে এবার থেকে আইনের শাসন চলবে।
দিল্লি থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তাঁর দাবি, তৃণমূলই তৃণমূলকে মারছে। আর দলের নেতারা বাড়ি থেকে শুধু বিবৃতি দিচ্ছেন। আর সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলছেন। তাঁদের ময়দানে নেমে দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। কারা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে তা তদন্ত করে দেখতে হবে। বিজেপি এই সব ঘটনার পিছনে নেই, কারণ বিজেপি খুনের বদলে খুন ও চোখের বদলে চোখ-- এই রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। দলের রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, তৃণমূলই বিজেপির ৩ কর্মীকে খুন করেছে। শমীক আরও জানান, ৪ তারিখ থেকে যারা বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন তাঁরা দলের কেউ নয়। কোনও অশান্তিকে দল বরদাস্ত করবে না। দল সরকারের কাজকর্মেও হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানান তিনি। দল আর সরকার সম্পূর্ণ আলাদা। শুভেন্দু অধিকারী হলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী।
শমীকের কথায়, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছেন। কিন্তু শাক ঢাকবেন কী দিয়ে? ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে ২৭ দিনে ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন হন। ২৭ জন বিজেপির মহিলা কর্মী প্রকাশ্যে দাঁড়িয়ে জানান, তৃণমূল তাদের গণধর্ষণ করেছে। জেসিবি দিয়ে বাড়ি ভাঙা হয়েছে। অবর্ণনীয় অত্যাচার হয়েছে। সেই সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুপ ছিলেন। তখন কোথায় ছিল আদালত? সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে শাসকের আইন ছিল। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।"
