বাবুল হক, মালদহ: সিনেমা দেখানোর পর মাদক জাতীয় কিছু খাইয়ে বেহুঁশ করে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ। এই ঘটনা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহের মানিকচক থানা এলাকায়। অভিযুক্ত যুবক সম্পর্কে নির্যাতিত কিশোরীর জামাইবাবুর দাদা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। নির্যাতিত কিশোরীর মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনায় শুক্রবার মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করে ওই ছাত্রীর পরিবার। ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ।
মেয়েটির পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে দায়ের করা এক অভিযোগে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটে নাগাদ দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে বাড়ির সামনে থেকে মোটরবাইকে করে নিয়ে যায় প্রতিবেশী যুবক বছর পঁচিশের সমর মণ্ডল। বাড়িতে বলেছিল একটু এদিক ওদিক বেড়াতে নিয়ে যাবে। আত্মীয়তার সুবাদে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে পারে সে। তারপর মোটরবাইকে করে মানিকচক, মথুরাপুর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় মেয়েটিকে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এমনকী একটি সিনেমা হলেও নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, সিনেমা দেখানোর পর ওই কিশোরীকে মাদক জাতীয় কিছু খাইয়ে বেহুঁশ করানো হয়। তারপর ওই এলাকায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ওই যুবক বলে অভিযোগ।
[আরও পড়ুন: চাকুরিজীবীদের জন্য বড় ঘোষণা, ইপিএফে বাড়ল সুদের হার]
এর পর ওই ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তাকে বাড়ি থেকে কিলোমিটার খানেক দূরে রাস্তার মোড়ে ফেলে দিয়ে চলে যায় অভিযুক্ত। স্থানীয় লোকজন মারফত খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসেন। নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে প্রথমে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। মেয়েটি তখনও অচেতন অবস্থায় ছিল। পরে তাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই নির্যাতিতা কিশোরী। অভিযুক্ত যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের। এদিন মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্তর খোঁজ শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তর কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন।
