shono
Advertisement

Breaking News

Purulia

সম্পত্তির লোভে শাশুড়িকে খুন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামাইয়ের

সম্পত্তির লোভে শাশুড়িকে খুন করার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল জামাইয়ের। সোমবার পুরুলিয়া জেলা আদালতের জেলা ও দায়রা বিচারক সন্দীপ চৌধুরি এই রায় দেন।
Published By: Suhrid DasPosted: 11:42 PM Jul 13, 2026Updated: 11:42 PM Jul 13, 2026

সম্পত্তির লোভে শাশুড়িকে খুন করার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল জামাইয়ের। সোমবার পুরুলিয়া জেলা আদালতের জেলা ও দায়রা বিচারক সন্দীপ চৌধুরি এই রায় দেন। এদিনই সাজাপ্রাপ্ত জামাই জনাথন বিশ্বাসকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষনা করেন। এছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। সাজাপ্রাপ্ত ওই জামাই-র বাড়ি কলকাতার এন্টালি থানার বেনিয়াপুকুর এলাকায়।

Advertisement

মামলার সরকারি আইনজীবী বিশ্বরূপ পট্টনায়ক বলেন, "সম্পত্তির লোভে শাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছিল জামাই। বসতবাড়ি বিক্রি করে সেই টাকা জামাই নেওয়ার জন্য তিনি ধারাবাহিকভাবে শাশুড়িকে চাপ দিতেন। কিন্তু শাশুড়ি রাজি ছিলেন না। জামাই শাশুড়িকে মারধর পর্যন্ত করতেন।" ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট টামনা থানার নাথুডি গ্রামে খুন হয়ে যান ৭০ বছরের শাশুড়ি গীতা রায়।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট মৃতের মেয়ে পূজা মুখোপাধ্যায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। গ্রেপ্তার করা হয় জনাথন বিশ্বাসকে। ৭৪ দিনের মাথায় অর্থাৎ ২০২৩ সালের ৮ নভেম্বর এই ঘটনায় চার্জশিট জমা করে পুলিশ। ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর চার্জ গঠন করা হয়। ২০২৪ সালের ১৮ই জানুয়ারি থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সাক্ষী ছিলেন নিহতের তিন কন্যা। সাজাপ্রাপ্ত স্বামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন স্ত্রী জয়শ্রী। পূজা এবং অনামিকা নামে দুই মেয়ের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছিল। এছাড়াও ফরেনসিক মেডিসিন ও টক্সিকোলজির প্রফেসর এবং ময়নাতদন্তকারী সার্জন পরাগবরণ পাল এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement