স্টাফ রিপোর্টার: বছর শেষের ছুটির আমেজে কাটছে সরকারি অফিস। প্রায় সব সরকারি অফিসেই পড়ে থাকা ‘ক্যাজুয়াল লিভ’ নেওয়ার হুড়োহুড়ি। অনেক কর্মীরাই আগে থাকতে এই ছুটি নিতে আবেদন করে রেখেছেন। ঠিক সেই কারণেই কোনও কোনও দপ্তরে কর্মী অভাবে কাজের গতিও অনেকটাই কম। রাজ্য সরকারের প্রধান সচিবালয় নবান্নের ছবিটা খুব একটা হেরফের নয়। তেমনই নব মহাকরণ বা বিধাননগরের অফিসও। কেন্দ্রের অফিসগুলোতেও একইরকম কর্মী অভাব। অনেক কর্মীকে মঙ্গলবার দেখা গিয়েছে, দ্রুত কাজ শেষ করে বের হতে। তাঁদের আবার বুধবার থেকে শুক্রবার ছুটি। কেউ দিঘায়, কেউ বা পুরীতে বেড়াতে যাচ্ছেন। কেউ আবার শিলং বা সিকিমের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
[এবার থেকে ফেসবুক করতেও বাধ্যতামূলক হচ্ছে আধার!]
এক আধিকারিক জানালেন, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সবাই চাইছেন, প্রাপ্য ছুটি নিয়ে নিতে। আগেভাগে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের নির্ধারিত ছুটি দিতেই হচ্ছে। তবে পরে আবেদন করলে অবস্থা বুঝিয়ে ছুটি নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। সরকারি অফিসে তাই অনেকটাই ঢিলেঢালা ভাব। তার উপর আগামী বছর জানুয়ারিতেই একলপ্তে বহু ছুটি পাবেন সরকারি কর্মীরা। জানুয়ারিতে ২৪ ও ২৫ তারিখ ছুটি নিলেই ওই সপ্তাহে টানা ৯ দিন ছুটি পেয়ে যাবেন তাঁরা। সেই ছুটির জন্যও অনেকে আবেদন করছেন। সেই সময় বাইরে যাওয়ারও পরিকল্পনা নিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। আসলে, পেলে ছুটি ছাড়ে কে!
[বর্ষবরণের রাতে বিদেশি বেলি ড্যান্সারের মৌতাতে মাতবে তিলোত্তমা]
