সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কালবৈশাখীর প্রকোপ পড়েছে গোটা রাজ্যেই। প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও জেলায় সন্ধের দিকে বিক্ষিপ্ত বা প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বুধবার সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে। যার জেরে এখনও পর্যন্ত একজনের মৃত্যুও হয়েছে।
এদিন সকালে পৌনে এগারোটা নাগাদ মুর্শিদাবাদে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। সেই সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। ওই জেলারই সাগরদিঘিতে তুমুল বৃষ্টিতে ইটভাটার একটি দেওয়াল ভেঙে পড়ে। যার ফলে মৃত্যু হয় একজনের। গুরুতর আহত আরও ছ’জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে বলে খবর। এদিকে বীরভূমের রামপুরহাটেও সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টিতে নাকাল জনজীবন। চারদিন ছুটির পর এদিনই স্কুল-কলেজ, সরকারি অফিস-কাছারি খুলেছে। আর এমন কর্মব্যস্ত দিনেই কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। বৃষ্টির ফলে যানচলাচলও ব্যাহত হয়।
[তিনবছর ধরে সহপাঠীকে ধর্ষণ, নিউটাউনে ধৃত আইআইটির প্রাক্তন পড়ুয়া]
তবে এই দুই জেলা ছাড়াও নদিয়া, দুই বর্ধমান, মালদহ এবং কলকাতাতেও বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের উপর থাকা একটি ঘূর্ণাবর্ত রাজ্যের দিকে এগিয়ে এসেছে৷ এর জেরে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টি চলছে৷ ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হচ্ছে৷ তা থেকে হচ্ছে ঝড়-বৃষ্টি৷ এদিন বেশ কয়েকটি জায়গায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ফসলের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ ধান ও আমের ফলনে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা৷
এদিনও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসবে ঝড়। বুধবারের কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গত কয়েকদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হওয়ার কারণে মঙ্গলবার শহরের তাপমাত্রা খানিকটা কমেছিল। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। এদিনও বিকেলের দিকে বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কমবে বলেই মনে করানো হচ্ছে। গত সোমবার ভোররাতে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর জারি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে জেলায় জেলায় বৃষ্টি হয়৷ সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে জেরবার হয়ে পড়েছিল দক্ষিণবঙ্গ৷
[রমরমিয়ে চলছে নকল সস-আচারের কারখানা, হুলস্থূল শিলিগুড়িতে]
The post সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টি একাধিক জেলায়, সাগরদিঘিতে একজনের মৃত্যু appeared first on Sangbad Pratidin.
