shono
Advertisement
Birbhum

রাস্তায় নামলেই বাজেয়াপ্ত হবে টুলুর ২৪২টি গাড়ি! বিপদ বাড়ছে দুবাইয়ে লুকিয়ে থাকা 'পাথরসম্রাটে'র

টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে নতুন করে আরও তিনজনের নাম উঠে এসেছে বলে খবর।
Published By: Kousik SinhaPosted: 07:24 PM Aug 12, 2026Updated: 07:24 PM Aug 12, 2026

টুলু মণ্ডলের ২৪২ টি ট্রাক এবং ডাম্পার 'ই-লক' করে দিল প্রশাসন। জানা যাচ্ছে, এই গাড়িগুলি যে কোনও কারণে রাস্তায় নামলেই তা বাজেয়াপ্ত করে নেওয়া হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেভাবে হোক ২০০ কোটির টুলুর ব্যবসাকে সমূলে আটকে দিতে মরিয়া প্রশাসন। শুধু তাই নয়, তাঁকে দেশে ফিরতে বাধ্য করতেই প্রশাসনের তরফে এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে বিদেশে পলাতক টুলুকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে তাঁকে ‘প্রোক্লেইমড অফেন্ডার’ বা ঘোষিত অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার আদালতে এমনটাই জানিয়েছেন মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই বিদেশে পালিয়ে যাওয়া টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে জারি হয়েছে রেড কর্নার নোটিসও।

Advertisement

এদিকে টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে নতুন করে আরও তিনজনের নাম উঠে এসেছে। গত সোমবার বোলপুরের সোনাঝুরি জঙ্গল সংলগ্ন সরকারডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে টুলু-ঘনিষ্ঠ তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টুলু হাজির না হলে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে বলে জানান সরকারি আইনজীবী। একই সঙ্গে দেশের যে কোনও প্রান্তে তাঁকে গ্রেপ্তার করার ক্ষেত্রে পুলিশের আর কোনও বাধা থাকবে না। এমনকি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া মেনে বিদেশে থাকা তাঁর সম্পত্তির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিদেশ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে নতুন করে আরও তিনজনের নাম উঠে এসেছে। গত সোমবার বোলপুরের সোনাঝুরি জঙ্গল সংলগ্ন সরকারডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে টুলু-ঘনিষ্ঠ তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন আউশগ্রামের আমির সোহেল মণ্ডল ওরফে রিপন, ইলামবাজারের ঘুড়িষার শেখ রিয়াজুল ইসলাম এবং কাঁইজুলির শেখ নুর আলম। তাঁদের কাছ থেকে টুলুর স্ত্রী-র নামে একাধিক সম্পত্তির নথি উদ্ধার হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেন সরকারি আইনজীবী। পাশাপাশি, ওই তিনজনের সঙ্গে টুলু মণ্ডলের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে দাবি করা হয়। তাঁদের ‘সিন্ডিকেট ক্রাইম’-এর সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, টুলুর পরিচিত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় তিনমাস আগেই দেশ ছাড়েন টুলু। ওই সূত্রের দাবি, চলতি বছরের ২৩ মে দেশ ছাড়েন তিনি। প্রথমে তুরস্ক এবং পরে দুবাইয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আর সেখান থেকে বসেই কার্যত বিভিন্ন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে গোটা সাম্রাজ্য টুলু পরিচালিত করছেন বলে খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement