সুব্রত বিশ্বাস: কর্মসূত্রে বিদেশে থাকেন। সম্প্রতি বাড়ি এসেছিলেন। ‘দিদি’র টানে ২১ জুলাইয়ের সভাতেও যোগ দেন। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। ফেরার পথে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল কুতুবুদ্দিন মণ্ডলের। এদিকে সভা থেকে ফেরার পথে রূপনারায়ণপুরে ভয়ংকর বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। আহত অন্তত ৩০জন।
জানা গিয়েছে শুক্রবার বিকেলে, বারাসত ১১ নম্বর রেল গেটের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন কুতুবুদ্দিন। পুলিশ জানিয়েছে, রেল গেটের কাছে সভা ফেরতা গাড়িটি দাঁড় করিয়ে চল্লিশটি চায়ের অর্ডার দেন তৃণমূলের সমর্থকরা। এ সময় কুতুবুদ্দিন প্রস্রাব করতে আপ লাইনের উপর উঠে পড়েন। আর ওই লাইন দিয়ে ট্রেন এসে পড়াতেই ধাক্কা খান কুতুবুদ্দিন। সমর্থকরাই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
[আরও পড়ুন: কেউ গিয়েছিলেন চাষে, কেউ বা খেলতে, আর ফেরা হল না ঘরে! রাজ্যে বাজ পড়ে মৃত ৬]
এলাকার সমর্থকরা জানিয়েছেন, মৃত কুতুবুদ্দিন কর্মসূত্রে মালয়েশিয়াতে থাকতেন। দিন কয়েক আগে হরিণঘাটার বামনপাড়ার বাড়িতে ফিরেছিলেন। এদিন ২১শের সভাস্থলে (21 July Shahid Diwas) তিনি এসেছিলেন সমর্থকদের সঙ্গে। একুশের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন, সেদিকেই ছিল তাঁর নজর। সভা ফেরত সমর্থকরা জানিয়েছেন, কুতুবুদ্দিন বরাবারই দলের সমর্থক। বিদেশ থেকে বাড়িতে এসেছিলেন। শহিদ দিবসে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল খুব। এদিন সকালেই বাড়ি থেকে এলাকার দলীয় সমর্থকদের সঙ্গে ভাড়া গাড়িতে কলকাতা আসেন। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না।
এদিকে, সভা থেকে ফেরার পথে রূপনারায়ণপুরের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল কর্মী-সমর্থকদের একটি বাস। বান্দোয়ানে ফিরছিলেন তাঁরা। কিন্তু মাঝপথেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যায় বাসটি। যাতে মৃত্যু হয়েছে একজনের। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাঁদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।
