শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দু’বার শুটআউট। ডালখোলার পর এবার ঘটনাস্থল ইসলামপুর। গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম দুই তৃণমূল কর্মী। তাঁরা দু’জনেই ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভরতি।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ আগস্ট। ওইদিন মহম্মদ জাহিদ আলম, মহম্মদ আসলাম নামে ইসলামপুর ব্লকের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই সদস্য সিউড়ি থেকে চোপড়ায় ফিরছিলেন। অভিযোগ, ফেরার পথে চোপরার বিধায়ক হামিদুর রহমানের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গাড়ি আটকে তাঁদের অপহরণ করে। শিলিগুড়ির রবীন্দ্রপল্লিতে তাঁদের আটকে রাখা হয় বলেই অভিযোগ। বৃহস্পতিবার ওই ঘরের রক্ষীকে শৌচালয়ে তালাবন্দি করে ইসলামপুরের তৃণমূলের কার্যালয়ে পালিয়ে আসেন দু’জনে। জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইলাল আগরওয়ালের অনুগামীরা গলায় মালা পরিয়ে তাঁদের নিয়ে মিছিলও করে। ফেরার পথে ওই দু’জনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে দুই তৃণমূল কর্মীর গায়ে লাগে।
[আরও পড়ুন: ক্যানসারে জেঠিমার চুল উঠে যাওয়া দেখেই যন্ত্রণা, মারণরোগে আক্রান্তদের জন্য চুলদান তরুণীর]
মজিবুল হক এবং নজরুল হক নামে গুলিবিদ্ধ দুই তৃণমূল কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। গুলি চালানোর ঘটনায় চোপরার বিধায়কের দিকেই আগুন তুলছেন জেলা সভাপতি কানাইলাল আগরওয়ালের অনুগামীরা। যদিও সে অভিযোগ কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে বিধায়ক ঘনিষ্ঠরা। জেলা পুলিশ সুপার যশপ্রীত সিং জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দোষীদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেও জানান তিনি।
