সুমন করাতি, হুগলি: নির্মীয়মাণ সেপটিক ট্যাঙ্কে কাজ করতে নেমে বিপত্তি। মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। শনিবার সকালের এই ঘটনায় হুগলির সিঙ্গুরের রতনপুর গ্রামে শোকের ছায়া। দমকল কর্মীরা সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে দুই শ্রমিকের দেহ উদ্ধার করেন।
মৃতরা হলেন বছর চল্লিশের গণেশ মান্না এবং সুব্রত দাস। গণেশ সিঙ্গুরের বাসিন্দা। ধনেখালি থানা এলাকার বাসিন্দা সুব্রত দাস। শনিবার সকাল সাতটা নাগাদ সিঙ্গুরের রতনপুর এলাকায় চন্দনা মাইতির বাড়ির নির্মীয়মান সেপটিক ট্যাঙ্কে কাজ করতে যান। গৃহকর্ত্রী জানান, মাসদুয়েক আগে তৈরি হওয়া নতুন সেপটিক ট্যাঙ্কের একটি ঢাকনা খুলে কাঠের ভাড়া খুলতে প্রথমে ভিতরে নামেন এক শ্রমিক।
[আরও পড়ুন: একই বিছানায় ঘুমন্ত অবস্থায় কালাচের বিষাক্ত ছোবল! দম্পতির ‘সহমরণ’]
বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলেও ওই শ্রমিকের কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন দ্বিতীয় শ্রমিকও নিচে নামেন। কিন্তু ভিতরে দু’জনই অচৈতন্য হয়ে পড়েন। খবর দেওয়া হয় দমকল ও পুলিশকে। চাঁপদানি থেকে একটি দমকলের গাড়ি এসে পৌঁছয়। দমকল কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমে পড়েন। দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে জানান।
চাপঁদানি দমকল বিভাগের ওসি বলেন, “সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে দু’জন অচৈতন্য হয়ে পড়েন। খবর পাওয়ার পরেই ছুটে আসি। দু’জনকে উদ্ধার করি। সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে সম্ভবত ভিতরে মিথেন বা অন্যান্য গ্যাস তৈরি হয়েছিল, সে কারনেই দুর্ঘটনা ঘটেছে।”
দেখুন ভিডিও:
