নিজস্ব সংবাদদাতা: বাবা রাম রহিমের পর এবার এ রাজ্যে প্রকাশ্যে এল এক সাধুবাবার কুকীর্তি। ঘটনাস্থল হুগলির মগরা। ১০ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে প্রায় দীর্ঘ ২ বছর গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল সাধুবাবা। ধৃতের নাম অশোক পাল(৭৪)।
[মথুরার ‘ভণ্ড’ বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার বাঙালি শিষ্যা]
মগরা থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে তারাপীঠের মহাশ্মশান থেকে অশোক পালকে গ্রেপ্তার করে। গুণধর সাধুবাবা অশোকের বাড়ি মগরা থানার ভেরিকুটি এলাকায়। জানা গিয়েছে, সাধুবাবার বাড়িতেই এক দম্পতি ১০ বছরের মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। ২০১৫-র নভেম্বর মাসে বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে ভণ্ড সাধু নিজের ভাড়াটিয়া নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। প্রথমে সামাজিক অসম্মান ও লজ্জার কারণে ধর্ষিতার পরিবার থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি। কিন্তু দু’মাস বাদে লজ্জা কাটিয়ে নাবালিকার মা ২০১৬-র ১১ জানুয়ারী মগরা থানায় অশোক পাল নামধারী ওই সাধুবাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার ধর্ষক সাধু।
[‘যুবতীকে লাগাতার ধর্ষণে অভিযুক্ত ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ খ্যাত প্রযোজক]
ধর্মের নামে যৌন লালসা মচরিতার্থ করে ইতিমধ্যে শ্রীঘরে গিয়েছে রাম রহিম, আসারাম বাপুর মতো একাধিক স্বঘোষিত ধর্মগুরু। মানুষের মনের ভয় ও ভক্তিকে হাতিয়ার করে বেশ চলছে এদের ব্যবসা। তবে ভণ্ড বাবাদের আইনের নাগালে আনতে এবার তৎপর হয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মথুরা থেকে এক ভণ্ড বাবাকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশ ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী। তার বিরুদ্ধে এক বাঙালি শিষ্যাকে মথুরার আশ্রমে লাগাতার ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে।
The post রাম রহিমের ছায়া রাজ্যেও, তারাপীঠে ভণ্ড বাবার লালসার শিকার নাবালিকা appeared first on Sangbad Pratidin.
