ভোটের আগে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বরানগর (Baranagar TMC BJP Clash)। পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে শনিবার সন্ধ্যায় গোপাললাল ঠাকুর রোডে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ধস্তাধস্তি, মারধর, স্লোগান–পাল্টা স্লোগানে এলাকা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী, র্যাফ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুখোমুখি হন তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ, তাতেই উত্তেজনা চরমে ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপাললাল ঠাকুর রোডে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সায়ন্তিকা এলাকায় পৌঁছতেই বিজেপি কর্মীদের স্লোগান, পাল্টা স্লোগানে জবাব দেয় তৃণমূল। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতেই দু’পক্ষ ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। চরম উত্তেজনার জেরে কার্যত থমকে যায় গোটা গোপাললাল ঠাকুর রোড। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপাললাল ঠাকুর রোডে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সায়ন্তিকা এলাকায় পৌঁছতেই বিজেপি কর্মীদের স্লোগান, পাল্টা স্লোগানে জবাব দেয় তৃণমূল। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের পোস্টার লাগাতে বাধা দিয়ে বিজেপি কর্মীরা মারধর করে এবং বহিরাগত এনে অশান্তি ছড়ায়। তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকার দাবি, “আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রচারের মধ্যে হঠাৎ বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করতেই আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলা কর্মীদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বাইরে থেকে বহিরাগত এনে হকি স্টিক দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে। শান্ত বরানগরকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। এর জবাব মানুষ দেবে।”
পাল্টা বিজেপির অভিযোগ, তাদের ফ্লেক্স ছিঁড়ে তৃণমূল নিজেদের পোস্টার লাগিয়েছে এবং প্রতিবাদ করলে হামলা চালিয়েছে। বিজেপি প্রার্থী সজলের দাবি, “আমাদের কার্যালয়ের সামনে লাগানো ফ্লেক্স-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে জোর করে তৃণমূলের পোস্টার লাগানো হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছে। জনগণ যদি বিদ্রোহ করে, সেটা আমাদের হাতে থাকবে না।” দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোটের ঠিক আগে পোস্টার টানাটানি থেকে সরাসরি সংঘর্ষ, এতেই স্পষ্ট ইঙ্গিত― নির্বাচন যত এগোবে উত্তাপ বাড়বে বরানগরে।
