shono
Advertisement
Zoya Akhtar

রণবীরের সঙ্গে ঝামেলা তুঙ্গে, এর মাঝেই ফারহানের বোনের অফিস থেকে চুরি গুরুত্বপূর্ণ হার্ড ডিস্ক!

রণবীর সিংয়ের ব্যান নিয়ে যখন বিটাউনে তুমুল ফিসফাস, তখন এমন আবহেই ফারহানের বোন তথা স্বনামধন্য পরিচালক জোয়া আখতারের অফিস থেকে চুরি হল গুরুত্বপূর্ণ ১১৯টি হার্ড ডিস্ক। কী এমন ছিল তাতে?
Published By: Sandipta BhanjaPosted: 06:42 PM May 26, 2026Updated: 06:43 PM May 26, 2026

মায়ানগরীর সেলেব পাড়ায় এইমুহূর্তে চর্চার শিরোনামে ফারহান আখতার বনাম রণবীর সিং দ্বন্দ্ব। বিতর্কের সূত্রপাত 'ডন ৩' সিনেমা ঘিরে। 'ধুরন্ধর' সাফল্যের পর এই মেগাবাজেট ছবি থেকে সরে দাঁড়ান অভিনেতা। আর সেই প্রেক্ষিতেই পরিচালক-প্রযোজক ফারহানকে নাকানি-চোবানি খাওয়ানোর জেরে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কোণঠাসা হতে হয়েছে অভিনেতাকে। রণবীর সিংয়ের ব্যান নিয়ে যখন বিটাউনে তুমুল ফিসফাস, তখন এমন আবহেই ফারহানের বোন তথা স্বনামধন্য পরিচালক জোয়া আখতারের অফিস থেকে চুরি হল গুরুত্বপূর্ণ ১১৯টি হার্ড ডিস্ক।

Advertisement

"আমার অফিসে ডাকাতি হয়েছে। একগুচ্ছ হার্ড ডিস্ক উধাও! আমরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছি। একজন ধরাও পড়েছে।..."

কী এমন ছিল তাতে? কৌতূহল অমূলক নয়। খবর, জোয়া ও তাঁর বন্ধু পরিচালক রিমা কাগতির প্রযোজনা সংস্থা 'টাইগার বেবি' থেকে খোয়া গিয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকারও বেশি দামি ষোলোটি হার্ড ডিস্ক। যেগুলিতে তাঁদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল। জোয়া আখতার জানিয়েছেন, "আমার অফিসে ডাকাতি হয়েছে। একগুচ্ছ হার্ড ডিস্ক উধাও! আমরা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছি। একজন ধরাও পড়েছে।" রণবীর-ফারহান দ্বন্দ্বের সঙ্গে কি এর কোনও সম্পর্ক রয়েছে? এহেন প্রশ্ন উঠতেই জোয়া স্পষ্ট জানিয়েছেন, "এই কাজ অফিসেরই কারও। খুব খারাপ লাগে যখন নিজের কর্মজগতের পরিবারের কোনও সদস্যই টাকার জন্য একাজ করতে পারে।"

জোয়া আখতার

জানা গিয়েছে, বিষয়টি প্রথম বুঝতে পারেন জোয়া আখতারের প্রযোজনা সংস্থার কার্যনির্বাহী সহকারী মেহজবিন মুশতাক শেখ। তিনিই এফআইআর দায়ের করেন। মুশতাকের মন্তব্য, "আমাদের অফিসে একাধিক হার্ডড্রাইভ সংরক্ষিত থাকে, একাধিক ফুটেজ থাকে, সিনেমার সম্পাদিত দৃশ্য, প্রচারমূলক বিষয়বস্তু। এছাড়াও একাধিক প্রযোজনা-সম্পর্কিত সমস্ত সামগ্রী থাকে। আমি নিজেই হার্ডড্রাইভগুলো গুছিয়ে একটি আলমারিতে রেখেছিলাম। তবে পরে হার্ড ডিস্কগুলি কর্মচারী শাহিদ খানের কাছে রাখতে দিই। ওকেই গুছিয়ে রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু ২১ মে শাহিদকে সেগুলি আনতে বললে ও আনতে পারেনি। সেসময়েই সন্দেহ জাগে।" পুলিশে খবর দিলে ওই কর্মী নাকি স্বীকার করে নেন যে, তিনি প্রায় ২৪টি ড্রাইভ চুরি করে রীতেশ নামে এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। ঘটনায় জোয়া আখতারের অফিসের ওই কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement