প্রথম ছবিতেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন বলিউডের দুই 'ফ্রেশ' মুখ আহান পাণ্ডে ও অনীত পাড্ডা। মোহিত সুরি পরিচালিত 'সাইরিয়া'তে অনীত-আহানের ঠোঁট ঠাসা চুমু আর অনস্ক্রিন রোম্যান্সে শিহরিত হয়েছিল তরুণ প্রজন্ম। পর্দার প্রেম বাস্তবেও গড়িয়েছে বলে অনুমান জুটির ভক্তদের। শুধু তাই নয়, টিনসেলটাউনের অন্দরেও কান পাতলে শোনা যায় আহান-অনীতের প্রেমের কানাঘুষো। সিনেমায় কাজ করার সময়ই তাঁরা নাকি পরস্পরের কাছাকাছি এসেছে! যদিও ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি চর্চিত প্রেমিকযুগল।
গুঞ্জনের মাঝেই বিমানবন্দরে সেলেব পাপারাজ্জিদের ক্যামেরাবন্দি আহান-অনীত। ক্যামেরার ফ্ল্যাশ দেখেই মুখ আড়ালের চেষ্টা করেন দুজনেই। কিন্তু, ওই যে 'গোপনে প্রেম রয় না ঘরে আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে।' আহান-অনীতের ক্ষেত্রেও এমনই কিছু ঘটল? ক্লিপটি সোশাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল। আহান-অনীতের মুখের অভিব্যক্তি থেকে নেটাগরিকদের অনুমান কিছু একটা আড়ালের চেষ্টা করছেন।
বিমানবন্দরে কেন মুখ আড়ালের চেষ্টা করলেন আহান-অনীত?
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অমৃতসর বিমানবন্দরের টার্মিনালের দিকে হেঁটে যাচ্ছে 'সাইয়ারা' জুটি আর আচমকা তাঁদের সামনে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা। সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তিতে পড়ে মুখ আড়াল করার চেষ্টা করেন এবং দ্রুত হেঁটে সামনের দিকে এগিয়ে যান। এই ভিডিওর কমেন্টবক্স জুড়ে ঙার্ট ইমোজির ছড়াছড়ি। উল্লেখ্য, গত বছর তাঁদের প্রথম ছবির মুক্তির পরই ব্যক্তিগত বা কর্মজীবন নিয়ে নিয়মিত শিরোনামে থাকেন আহান পাণ্ডে ও অনীত পাড্ডা।
ক্যামেরা দেখেই অস্বস্তিতে আহান-অনীত
প্রসঙ্গত, 'সাইয়ারা'র সেই উত্তেজনা উসকে ফের জুটি বাঁধছেন আহান-অনীত। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, মোহিত সুরির নির্দেশনাতেই ফিরছে এই হিট জুটি। আর এই জুটির হাত ধরে আরও একবার বড় পর্দায় রোম্যান্সের হাতছানি তা বললে অত্যুক্তি হবে না। কানাঘুষো, চলতি বছরের শেষের দিকে শুরু হতে পারে সিনেমার শুটিং।
অমৃতসর বিমানবন্দরের টার্মিনালের দিকে হেঁটে যাচ্ছে 'সাইয়ারা' জুটি আর আচমকা তাঁদের সামনে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা। সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তিতে পড়ে মুখ আড়াল করার চেষ্টা করেন এবং দ্রুত হেঁটে সামনের দিকে এগিয়ে যান আহান-অনীত।
২০২৭ সালে ছবি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে বলেই খবর। অনীত-আহানের ‘সাইরিয়া’র পর কোন প্রেমের গল্প বুনবেন মোহিত সেই অপেক্ষায় দর্শক। আবার তাঁদের একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখার জন্য অধীর আগ্রহে দর্শক অপেক্ষা করছেন সে কথা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
