shono
Advertisement

Breaking News

Ma Lo Ma song

মনসামঙ্গল নিয়ে র‌্যাপ! কোক স্টুডিওর গানে বেহুলা-লখিন্দরের গল্প, শুনেছেন?

লোকগানের মেজাজ বজায় রেখেই গানের ফিউশন করা হয়েছে।
Published By: Suparna MajumderPosted: 08:39 PM May 17, 2024Updated: 12:19 AM May 18, 2024

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান কাব্য হিসেবে মনসামঙ্গল বা পদ্মাপুরাণকে ধরা হয়। বেহুলা-লখিন্দরের গল্প এখনও গ্রামবাংলার মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এই গল্পকেই র‌্যাপ ও ছকভাঙা সুরে বাঁধলেন কোক স্টুডিও বাংলার শিল্পীরা। তাঁদের "কী সাপে কামড়াইলো দুর্লভ লকাইর গায়"-এর সুর নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় তুমুল চর্চা।

Advertisement

জনশ্রুতি, শিবের একনিষ্ঠ ভক্ত চাঁদ সওদাগর। তাঁকে দিয়েই নিজের পূজার প্রচলন করতে চেয়েছিলেন মনসাদেবী। কিন্তু শৈব চাঁদ কিছুতেই তাতে রাজি হননি। ক্রোধোন্মত্ত মনসা তাঁর বংশ ধ্বংস করার পণ নেন। একে একে সব সন্তানকে হারান চাঁদ সওদাগর। বেঁচে থাকে শুধু লখিন্দর। তার সঙ্গে বন্ধুকন্যা বেহুলার বিয়ে দেন চাঁদ। ছেলের বাসররাতের জন্য নিশ্ছিদ্র এক ঘর তৈরি করান তিনি। যাতে কোনও সাপ সেখানে প্রবেশ না করতে পারে। কিন্তু বিধির বিধান! সর্পদংশনে মৃত্যু হয় লখিন্দরের। এর পর শুরু হয় বেহুলার যাত্রা।

[আরও পড়ুন: টালমাটাল জীবন থেকে অসম্পূর্ণ প্রেম, ‘অযোগ্য’র ট্রেলারে প্রসেন-পর্ণা-রক্তিমের জটিল রসায়ন]

স্বামীর নিথর দেহ নিয়ে ভেলায় করে বেরিয়ে পরে বেহুলা। বহু জায়গা ঘুরে সে পৌঁছায় দেবলোকে। নিজের প্রার্থনায় দেবতাদের তুষ্ট করে। চাঁদ সওদাগরকে তাঁর পুজো করতে হবে, এই শর্তে লখিন্দরকে প্রাণদান করতে রাজি হন মনসা। রাজি হয় বেহুলা। কথা দেয় শ্বশুরমশাইকে এই পুজোতে সম্মত করবে সে। কথা রাখে বেহুলা। চাঁদ সওদাগর মনসার উপাসনায় রাজি হন। এই গল্প আজও লোকগান হয়ে মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এবার উঠে এল কোক স্টুডিও বাংলায়।

লোকগানের মেজাজ বজায় রেখেই গানের ফিউশন করা হয়েছে। গানটি গেয়েছেন শরফুদ্দিন দিওয়ান (সাগর)। ভায়োলিনের সঙ্গতে তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মহম্মদ আরিফ দিওয়ান। আর র‌্যাপের অংশটি গেয়েছেন আলি হাসান। এই তিনজনের সঙ্গে গানটি গেয়েছেন আরও একঝাঁক শিল্পী। ইউটিউবের গ্লোবাল টপ মিউজিক ভিডিওর চার্টে এখনও ট্রেন্ডিং এই 'মা লো মা' গান। গান নিয়ে তর্ক-বিতর্ক বিস্তর হয়েছে। আবার সতেরো কোটির বেশি মানুষ গানটি দেখেছেন এবং শুনেছেন।

[আরও পড়ুন: উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা, হাতে যেন প্রেম পেয়ালা, ‘বোল্ড’ মেজাজে গরমকে টেক্কা সায়ন্তনীর]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • বেহুলা-লখিন্দরের গল্প এখনও গ্রামবাংলার মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
  • এই গল্পকেই র‌্যাপ ও ছকভাঙা সুরে বাঁধলেন কোক স্টুডিও বাংলার শিল্পীরা।
Advertisement