সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিথি অনুযায়ী সোমবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। সকাল থেকে টলিপাড়ার বাসিন্দাদের পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ফি বছর ইন্ডাস্ট্রির তারকাদের বাড়িতে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো কেন্দ্র করে অনুরাগীদের উৎসাহ থাকে চোখে পড়ার মতো। সেই তালিকার অন্যতম চৈতি ঘোষালের বাড়ির লক্ষ্মীপুজো। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রবিবারই সহকারীকে সঙ্গে নিয়ে পুজোর কেনাকাটা সেরে ফেলেছেন চৈতি। একসময়ে অভিনেত্রীর মা যে পুজো শুরু করেছিলেন। আজ সেই দায়িত্ব চৈতির কাঁধে। পরম যত্নে ভোগ রান্না থেকে পুজোর আয়োজন সবদিকেই নজর থাকে তাঁর।
রবিবারই পটুয়া পাড়া থেকে প্রতিমা নিয়ে এসেছেন অভিনেত্রী। চৈতির মায়ের দেওয়া জড়োয়ার গয়নায় সাজেন তাঁদের বাড়ির দেবী কমলা। বাকি সাজসজ্জার দায়িত্বে থাকেন তাঁর বোনেরা। ফি বছর অভিনেত্রীর এক বন্ধু এসে আলপনা দেন। চৈতি ঘোষালের লক্ষ্মীপুজোয় আমন্ত্রিত থাকেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। কর্মসূত্রে অভিনেত্রীপুত্র অমর্ত্য মুম্বইতে থাকলেও পুজোর জন্য কলকাতায় এসেছেন। সোমবার পাঞ্জাবি-পাজামা পরে তাঁকেও দেখা গেল পুজোর আসরে। চৈতি সেজেছেন গোলাপি রঙের শাড়িতে। পুজোয় আসরে নিজে হাতে ফল, নৈবেদ্যের থালা সাজাতে দেখা গেল অভিনেত্রীকে।
চৈতি জানালেন, বাড়িতে খই, মুড়কি, নাড়ু এসব তিনি বানান না। দোকান থেকেই কিনে আনেন। তবে ভোগের খিচুড়ি, পাঁচ রকম ভাজা, চাটনি, পায়েস সবটা নিজে হাতে রাঁধেন। প্রতিবেশীরাও ফি বছর উপস্থিত থাকেন অভিনেত্রীর বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয়। আসলে সকলে মিলে একছাদের তলায় পুজোয় আয়োজন সারা, মায়ের কাছে প্রার্থনা করাতেই বিশ্বাসী চৈতি ঘোষাল। তাঁর বাড়ির পুজো যেন বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের কাছে উমাবিদায়ের মনখারাপে প্রলেপের মতোই কাজ করে।
