দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ অভিনীত বহুবিতর্কিত ছবি 'সতলুজ' ঘিরে এই মুহূর্তে সরগরম সিনেদুনিয়া। সেন্সরের সঙ্গে দীর্ঘ তিনবছরের লড়াই শেষে ওটিটিতে মুক্তির অনুমতি পেয়েছিল 'সতলুজ'। কিন্তু, দু-তিনদিনের মধ্যেই ফের সরিয়ে নেওয়া হয় ছবিটি। কেন্দ্রের নিষিদ্ধ কাঁটায় ইতিমধ্যেই দিলজিতের ‘সতলুজ’ ঘিরে রাজনৈতিকমহলেও শুরু হয়েছে চাপানোতর। এর মাঝেই 'পাঞ্জাব দি পুত্তর'-এর মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে নয়া তরজা।
গত মে মাসে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ২০২২ সালে দিলজিত মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন। এযাবৎকাল এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করননি। কিন্তু, সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম লাইভে এসে ভক্তের সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে এল চার বছর পুরনো সেই মার্কিন নাগরিকত্ব প্রসঙ্গ। এক অনুরাগী দিলজিতের কাছে নাগরিকত্বের সত্যতা জানতে চাইলে তিনিও মজা করার কোনও সুযোগ ছাড়েননি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প
সরাসরি উত্তর না দিয়ে বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করেন গায়ক-অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ। জি ফাইভ থেকে 'সতলুজ' সরিয়ে নেওয়ার পর সংশ্লষ্ট ভক্ত দিলজিৎকে পরামর্শ দেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডের জন্য তাঁর আবেদন করা উচিত। ভক্তের কথায় একেবারে হেসে কুটোপুটি। পালটা বলেন, "আমি একটা কার্ড নিয়ে সেটাকে সবুজ রঙ করে দেব। এবিষয়ে আর বেশি কিছু বলব না। অন্য সবকিছু ছেড়ে এবার এটাকেই সবাই খবর বানিয়ে ফেলবে। আসলে বিষয়টা এত সহজ নয়।"
দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ
ভক্তের কথায় কিছুটা আবেগতাড়িত হয়ে নিজের ভাবনা ব্যক্ত করেন দিলজিৎ। তাঁর মতে, "ভিসা ছাড়া পৃথিবীর যেকোনো দেশে প্রত্যেকের ভ্রমণের সুযোগ থাকা উচিত। পুরো পৃথিবী এক হয়ে যাক। কিন্তু বাস্তবে তো সেটা সম্ভব নয়, তাই না?" আরও একধাপ এগিয়ে অপর এক ভক্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়ে যা আবদার করেছেন সেটা শুনে দিলজিৎ নিজেই তাজ্জব বনে গিয়েছেন।
তাঁর দাবি, দিলজিৎ যেন ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে প্রত্যেককে আমেরিকার নাগরিকত্ব পাইয়ে দেন। দিলজিতের পালটা প্রশ্ন, "তোমরা আমাকে কী মনে করো? আমি তো শুধু একজন শিল্পী। নাগরিকত্বের মতো বিষয় নিয়ে আমি তাঁকে কীভাবে বলব? তাঁর মেয়ে আমাকে অনুসরণ করেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গেও আমার কখনো কথা হয়নি। আমি কখনো কারও কাছে কোনও সুবিধা চাই না। যা হওয়ার তা হবেই। আর যা হওয়ার নয় সেটা হবে না।"
