shono
Advertisement
Hrithik Roshan

সুজানকে ৪০০ কোটির খরপোশ হৃত্বিকের! বিচ্ছেদের ১২ বছর পর প্রকাশ্যে চরম সত্য

বিচ্ছেদের সময় হৃত্বিকের থেকে খোরপোশ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন প্রাক্তন স্ত্রী সুজান? বারো বছর প্রকাশ্যে সত্যি।
Published By: Kasturi KunduPosted: 02:36 PM Jul 03, 2026Updated: 03:03 PM Jul 03, 2026

২০০০ সালের ২০ ডিসেম্বর, চার হাত এক করে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রেখেছিলেন হৃত্বিক রোশন ও সুজান খান। পরস্পরকে ভালোবাসে বৈবাহিকবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু, ২০১৪র পয়লা নভেম্বর তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায় বলিউডের এককালীন হাইভোলটেজ তারকা দম্পতির সুখের সংসার। দীর্ঘ পনেরো বছরের দাম্পত্যের ভাঙন সেসময় ছিল টিনসেল টাউনের হট কেক। বহুল আলোচিত এই বিচ্ছেদের নেপথ্যে তৈরি হয়েছিল একাধিক গুঞ্জনও। শোনা গিয়েছিল, হৃত্বিকের থেকে খোরপোশ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন প্রাক্তন স্ত্রী। বারো বছর প্রকাশ্যে সত্যি।

Advertisement

এই মর্মে মুখ খুললেন সুজানের বোন। সত্যিই হৃত্বিকের (Hrithik Roshan) থেকে চারশো কোটি টাকা নিয়েছিলেন নাকি পুরোটাই গুজব? সুজানের বোন ও গয়না ডিজাইনার ফারাহ খান আলি জানিয়েছেন এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি জানান, সুজান হৃত্বিকের থেকে কানাকড়িও নেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফারাহ জানান, হৃতিক ও সুজানের বিচ্ছেদ ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার মাঝেই দু'জনে অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ততার সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মতো পরিস্থিতি সামলেছেন।

হৃত্বিক-সুজান

সেই প্রসঙ্গে ফারহার সংযোজন,"সবাই তখন অবাক হয়ে গিয়েছিল। চারদিকে নানা আলোচনা, সমালোচনার ঝড়। অনেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানান পরামর্শ দিতেন। কিন্তু আমার মনে হয়, ওরা দু’জনেই সবকিছু খুব সুন্দরভাবে সামলেছে। বিচ্ছেদ ছিল সম্পূর্ণ পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে। আমি আজ স্পষ্ট করে বলতে চাই, ৪০০ কোটি টাকার কোনও খোরপোশ ছিল না। আজও যখন দেখি অনেকে বলেন সুজান ৪০০ কোটি টাকা পেয়েছেন তখন সত্যিই খুব খারাপ লাগে। কারণ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।"

ইন্ডাস্ট্রির প্রাক্তন কাপল

আরও বলেন, "আমার বোন এক পয়সাও নেয়নি। আমরা এমন একটি পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে আমাদের মা শিখিয়েছেন যে সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই আজও হৃতিক, তাঁর প্রাক্তন শ্বশুর-শাশুড়ি পিঙ্কি ও রাকেশ রোশনের সঙ্গে সুজানের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। তাঁরা সবাই সুজানকে আজও ভালোবাসেন। আমার মনে হয়, সুজান খুব সুন্দরভাবে নিজেকে পরিচালনা করেছে। ও অর্থলোভী নয়। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, অত্যন্ত মার্জিত। হৃতিকও অসাধারণ মানুষ। সম্পর্ক ভেঙেছে, তা বলে সেটা নিয়ে অযথা চর্চা কাম্য নয়। এই বিচ্ছেদে কোনও খরপোষের বিষয়ই ছিল না। এসব সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন।"

বিবাহবিচ্ছেদ ঘিরে চর্চা

২০১৪ সালে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হওয়ার পর তিনি বহুবার সুজানকে এই গুজবের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খোলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সুজান রাজি হননি। এই প্রসঙ্গে ফারাহা যোগ করেন, "আমি ওকে বলেছিলাম, এসব গুজবের প্রতিবাদ করো না কেন? তখন ও বলেছিল, মানুষ আমার সম্পর্কে কী ভাবল, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমাদের পরিবারের সবাই প্রায় এমনই। আমি আমার মতো জীবন উপভোগ করি। অপরিচিত কেউ আমার জীবন নিয়ে কোনও মন্তব্য করলে সেটা আমার কাছে কখনই প্রাধান্য পায় না।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement