'ধুরন্ধর ২' সাফল্যের মাঝেই রণবীরের (Ranveer Singh) খুশির জোয়ার। দ্বিতীয়বার বাবা হতে চলেছেন সেই সুখবর দিয়েছেন। এবার পুরনো মামলাতেও স্বস্তি পেলেন রণবীর। কর্ণাটক উচ্চ আদালত খারিজ করে দিল রণবীরের বিরুদ্ধে করা এফআইআর। ২০২৫ সালে আইএফএফআইয়ের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বক্স অফিস কাঁপানো সিনেমা 'কান্তারা'র মিমিক্রি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। চরম সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন রণবীর। এই ঘটনার জেরে কর্ণাটক উচ্চ আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। এবার সেই আইনি জট থেকে মুক্তি পেলেন অভিনেতা।
লেটেস্ট আপডেট অনুযায়ী, কর্ণাটক উচ্চ আদালত এফআইআর খারিজ করলেও রণবীরের আচরণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতিতে আঘাত করার বিষয় থেকে মুক্তি দেয়নি। ক্ষমা প্রার্থনার জন্য আদালত তাঁকে চার সপ্তাহের মধ্যেই মাইসুরুর চামুণ্ডেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। শুনানির সময় 'ধুরন্ধর ২'-এর ব্যাপক সাফল্যের নিরিখে নিরাপত্তাজনিত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি রণবীর সিং। তবে তাঁর আইনজীবী সজন পুভাইয়া তাঁর পক্ষ থেকে একটি নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনার হলফনামা জমা দেন। আদালতের নির্দেশ, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্দিরে উপস্থিত থাকতে হবে রণবীরকে।
'কান্তারা' মিমিক্রি বিতর্কে কর্ণাটক উচ্চ আদালত এফআইআর খারিজ করলেও রণবীরের আচরণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতিতে আঘাত করার বিষয় থেকে রণবীরকে মুক্তি দেয়নি। ক্ষমা প্রার্থনার জন্য আদালত তাঁকে চার সপ্তাহের মধ্যে মাইসুরুর চামুণ্ডেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে
আইএফএফআইয়ের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে 'কান্তারা' ছবির জনপ্রিয় 'চৌড়ি' দৃশ্যটি নকল করেন রণবীর। তিনি চরিত্রটিকে 'মহিলা ভূত' বলে খোঁচা মেরে চোখ-মুখের অদ্ভুত অভিব্যক্তি করেন। তখন পাশে বসে হাসছিলেন ঋষভ শেট্টি। রণবীর মজা করে বলেছিলেন, "এখানে কেউ আমাকে কান্তারা ৩-এ দেখতে চান? তাহলে এই মানুষটিকে বলুন।" এই ক্লিপটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় সোশাল মিডিয়ায় এবং সমালোচনায় বিদ্ধ হন 'বেফিকরে' রণবীর।
'কান্তারা' মিমিক্রি বিতর্কে স্বস্তি।
বিতর্কের মাঝে রণবীর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ক্ষমাপ্রার্থনাও করে লিখেছিলে, 'আমার উদ্দেশ ছিল ছবিতে ঋষভ শেট্টির অসাধারণ অভিনয়কে তুলে ধরা। একজন অভিনেতা হিসেবে আমি জানি ওই দৃশ্যটি ফুটিয়ে তুলতে কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে। ওঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।" নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে আরও লেখেন, 'আমি সবসময় আমাদের দেশের প্রতিটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে অন্তর থেকে সম্মান করেছি। যদি আমার কারণে কারও অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকে তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।'
