সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়েব দুনিয়ার ট্রেন্ডিং লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে 'পঞ্চায়েত সিজন ৩'। নতুন এই মরশুমে প্রধানজি, সচিবজিদের পাশাপাশি বনরাকস চরিত্র নিয়েও প্রচুর চর্চা হয়েছে। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন দুর্গেশ কুমার (Durgesh Kumar)। ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা থেকে পাশ করার পরও যাঁকে বছরের পর বছর লড়াই করে যেতে হয়েছে একটা সুযোগ পাওয়ার জন্য। পর্ন ফিল্মেও নাকি কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলেন অভিনেতা।
এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে দুর্গেশ জানান, ২০১৬ সালের ২৮ মে তিনি মুম্বইয়ে এসেছিলেন। চোখে ছিল অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন। সেসময় কাস্টিং ডিরেক্টরদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছেন। অডিশনের পর অডিশন দিয়েছেন। এক সময় কাস্টিং ডিরেক্টরদের পায়েও পড়েছেন। একটা যদি সুযোগ পাওয়া যায়! কিন্তু পাননি। বার বার হতাশ হতে হয়েছে।
[আরও পড়ুন: বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে তারকাদের চালচিত্র, ভোট সাম্রাজ্য এবার কার দখলে? ]
দুর্গেশ জানান, গত ১১ বছরে দুবার মানসিক অবসাদের শিকার হয়েছেন তিনি। তাই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন যাঁরা দেখেন তাঁদের ভেবে চিন্তে এই পেশায় আসার পরামর্শ দেন। দুর্গেশ জানান, এই পেশার জন্য মনের জোর, শরীরের জোরের পাশাপাশি অর্থের জোরও প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে পঙ্কজ ত্রিপাঠি, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির নামও নেন দুর্গেশ। তিনি বলেন, "পঙ্কজ ত্রিপাঠির ব্যাচে তো আরও ২০ জন ছিলেন। তাঁদেরও প্রতিভা ছিল। কোথাও দেখতে পান তাঁদের? নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির ব্যাচেও ৩০ জন ছিলেন।"
'পঞ্চায়েত'-এর প্রথম মরশুমে দুর্গেশের মাত্র একদিনের চরিত্র ছিল। তার জন্য প্রায় আড়াই ঘণ্টার শুটিং করেছিলেন। তার পর পরিচালক দীপক কুমার মিশ্র ও চিত্রনাট্যকার চন্দন কুমার ভূষণ তথা বনরাকসের চরিত্রকে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। এর জন্য তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ দুর্গেশ। এক সময় নাকি সফট পর্ন ফিল্মে অভিনয় করতেও বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। অভিনেতা বলেন, "অভিনয় ছাড়া আমি থাকতে পারব না। যা পেয়েছি তাই করেছি। নিজের দক্ষতার উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। "
