শুক্রবার বিকেলে অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল টলিপাড়ার চক্রবর্তী পরিবার। যুদ্ধজিগিরের আবহে ছেলে ইউভানকে নিয়ে দিন কয়েক ছুটি কাটাতে গিয়ে দুবাইয়ে আটকে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। মধ্যপ্রাচ্যে এহেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। ফলত, নির্দিষ্ট সময়ে দেশে ফেরা সম্ভব হয়নি তাঁদের। তবে শুক্রবার ভায়া মুম্বই হয়ে ছেলেকে নিয়ে কলকাতায় ফিরলেন 'সুপারমম' শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।
"ভয়াবহ পরিস্থিতি। আমি এতটাই বিধ্বস্ত যে এখনই ওখানকার অভিজ্ঞতা ভাগ করার মতো পরিস্থিতিতে নেই। সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন।"
এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে স্ত্রী-সন্তানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন রাজ চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিল পরিবারের সবথেকে খুদে সদস্য ইয়ালিনিও। সেখানেই মাকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা রাজকন্যে। বাবার কোল থেকে একলাফে মায়ের কোলে ইয়ালিনি। অন্যদিকে স্ত্রী শুভশ্রীকে দেখে আনন্দে জাপটে ধরলেন রাজ চক্রবর্তীও। এতদিন বাদে মাকে পেয়ে রাজকন্যের মুখে অনাবিল হাসি। বিমানবন্দরে সেসব মিষ্টি মুহূর্তই ক্যামেরাবন্দি হল। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে অশান্ত দুবাই থেকে নিরাপদে দেশে ফেরায় আশ্বস্ত রাজ-শুভশ্রীর ঘনিষ্ঠমহলও।
শহরে পা রেখেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভশ্রী জানান, "সকলের এত ভালোবাসা, এত সমর্থন ওই কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আমাকে আর আমার পরিবারকে শক্তি জুগিয়েছে। ভীষণ ভয়াবহ পরিস্থিতি ছিল। আমি এতটাই বিধ্বস্ত যে এখনই ওখানকার অভিজ্ঞতা ভাগ করার মতো পরিস্থিতিতে নেই। সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন।"
এদিন সকালেই টলিউড নায়িকার আপ্ত সহায়ক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার সরাসরি উড়ান বাতিল হওয়ায় ভায়া মুম্বইয়ে ফিরতে হচ্ছে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। সেইমতোই ছেলে ইউভানকে নিয়ে মুম্বই ছুঁয়ে ঘরে ফিরলেন ঘরের মেয়ে। গত শনিবার ছেলেকে নিয়ে দুবাই উড়ে গিয়েছেন শুভশ্রী। ওইদিন রাতেই ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। যুদ্ধজিগিরে ভুগতে হয় দুবাইকেও। একের পর এক বিমান বাতিল হওয়ায় সেখান থেকে তড়িঘড়ি ভারতে ফিরতে পারেননি তাঁরা। আগে জানা গিয়েছিল, ৪ তারিখ অর্থাৎ বুধবার রাতের বিমানে দেশে ফিরবেন শুভশ্রী ও ইউভান। কিন্তু শেষমুহূর্তে বাতিল হয়ে যায় বিমানটি। ফলত আরও দিন দেড়েক দুবাইয়ের মাটিতে আটকে থাকার পর ৬ মার্চ ভোরের বিমানে দেশে ফিরলেন লেডি সুপারস্টার।
