নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে উত্তাল গোটা দেশ। আত্মঘাতী হয়েছেন পড়ুয়ারা, পথে নেমে প্রতিবাদ করছে ছাত্রসমাজ, অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর দিন শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ‘সংসদ অভিযান’ ঘিরে একেবারে রণক্ষেত্র রাজধানী দিল্লি। প্রায় দু'মাস পর সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে নীরবতা ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই আবহে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল আমির খান অভিনীত 'রং দে বসন্তী'র একটি দৃশ্য।
ককরোচের আন্দোলনে দেশজুড়ে যখন উত্তাল পরিস্থিতি তখন কেন এই দৃশ্য দাবানলের গতিতে ছড়িয়ে পড়ল? তার আগে বলে রাখা ভালো, বলিউডের একাংশের বক্তব্য জগগণের ভোটেই সরকার নির্বাচিত হয়। তাই আমজনতার প্রশ্নের জবাবদিহি করতে বাধ্য। ঠিক এই কারণেই ভাইরাল 'রং দে বসন্তী'র ক্লিপিং। যেখানে রয়েছে সেই জবাবদিহি ও পরিবর্তনের বার্তা বহনকারী দৃশ্য যা মানুষের মনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে।
ছাত্রদের ন্যায্য বিচারের দাবিতে সোনমের লড়াই
'রং দে বসন্তী'র ভাইরাল ক্লিপিং
নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে পড়ুয়া, ককরোচ পার্টির আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে হু হু করে শেয়ার হচ্ছে সিনেমার এই দৃশ্য়। ব্যাকগ্রাউন্ডের ভয়েজওভারে শোানা যাচ্ছে, 'আমরা কোনও সন্ত্রাসবাদী নই। আমাদের পিছনে কোনও বিদেশি শক্তির হাত নেই। আজ আমরা শুধু এটুকু বলতে এসেছি কিছু একটা করতেই হবে। আমাদের প্রত্যেককেই কিছু করে দেখাতে হবে।'
নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে সোনম
সিজেপি-এর আন্দোলনের মাঝে ভাইরাল দৃশ্য
এরপর রেডিওতে অভিনেতা সিদ্ধার্থ নারায়ণ রাজনীতি, নাগরিকের দায়িত্ব এবং পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন। তাঁর বক্তব্য, "এই নেতারা আকাশ থেকে পড়েনি। ওঁরাও আমাদেরই একজন। আমরাই ওঁদের নির্বাচিত করেছি। যদি ওঁরা দুর্নীতিগ্রস্ত হয় তবে আমরাও সেই দুর্নীতির অংশ। কিছু বদলাতে চাইলে আগে নিজেকে বদলাতে হবে।" অতঃপর এক ব্যক্তির(কলার) মন্তব্য, "কিছুই বদলাবে না। এটা ভারত, এখানে সবসময় এমনই হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমনই চলবে।"
অনশন মঞ্চে ওয়াংচুক।
