অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের। কিন্তু ম্যাকেতে দ্বিতীয় টেস্টে ফের 'স্বমহিমায়' নাজমুল হোসেন শান্তরা। অস্ট্রেলিয়া যে পালটা দেবে, সেটা প্রত্যাশিতই ছিল। আর সেটা এত জোরাল হল যে প্রথম দিনের লাঞ্চ শেষ হতে না হতেই অলআউট হয়ে গেল বাংলাদেশ। মাত্র ৬৪ রানে ইনিংস শেষ 'টাইগার'দের। নেপথ্যে মিচেল স্টার্কের আগুনে বোলিং। ১২ রানে ৬ উইকেট তুলে নয়া নজির গড়লেন অজি পেসার।
ম্যাকেতে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। তরতাজা অজি পিচে, দিনের শুরুতে স্টার্কের হাতে নতুন বল। এই 'বিভীষিকা' সামলানোর ক্ষমতা বাংলাদেশ কেন, এখনও অনেক দেশেরই হয়নি। গতি, বাউন্স, সুইং- মুশফিকুর রহিমদের ধ্বংস করতে স্টার্কের লাগল ঠিক ৪২ মিনিট। প্রথম ৬ জন বাংলাদেশি ব্যাটারের মধ্যে ৪ জনের রান শূন্য। সাদমান হোসেন, তানজিদ হাসান, শান্ত, লিটন দাসরা রানের খাতা খুলতে পারেননি। লাঞ্চের আগে রান ছিল ৩৫ রানে ৬ উইকেট।
শেষমেশ লোয়ার অর্ডারের সাহায্যে বাংলাদেশ ৬৪ রান তোলে। যা টেস্টে তাদের চতুর্থ সর্বনিম্ন রান। শেষ জুটিতে ওঠে ২৫ রান। নাহলে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তাদের ৪৩ রানের সর্বনিম্ন নজির আজই ভেঙে যেত।
অন্যদিকে নজির গড়লেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম বলে উইকেট নেন। তারপর ২২ বলের মধ্যে ৫ উইকেট তুলে নেন। ঘটনাচক্রে টেস্টের ইতিহাসে দ্রুততম 'ফাইফার'টিও স্টার্কের নামে। যা তিনি ২০২৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে করেছিলেন। এই ম্যাচে এক সময় স্টার্কের পরিসংখ্যান ছিল ৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট। শেষ পর্যন্ত থামেন ১২ রানে ৬ উইকেটে। আর স্টার্ক ঢুকে পড়লেন টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বোলারদের মধ্যে প্রথম দশে। টপকে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেল স্টেনকে। ১০৭ ম্যাচে অজি পেসারের উইকেট সংখ্যা ৪৪০। আর আন্তর্জাতিক ম্যাচে উইকেটের তালিকায় ছুঁয়ে ফেললেন ৭৬১ উইকেটে থাকা চামিন্ডা ভাসকে।
