কর্ণাটক: ১৩৪-৮ (করুণ নায়ার ৪৪, মণীশ পাণ্ডে ৩২)
বাংলা: ১৩৮-৩ (অভিমণ্যু ঈশ্বরণ ৫১, কাইফ আহমেদ ৩৪)
বাংলা ৭ উইকেটে জয়ী।
স্টাফ রিপোর্টার: গ্রুপের শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে উড়িয়ে দিয়ে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির নক-আউটে উঠে গেল বাংলা। ৫ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নক-আউট পর্বে গেলেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের দল। দ্বিতীয় স্থান পেয়ে মুম্বই গেল পরের রাউন্ডে।
মুম্বই বড় ব্যবধানে বরোদাকে হারিয়ে দেওয়ায় এদিন মাঠে নামার আগেই বাড়তি চাপে পড়ে যেতে হয় বাংলাকে। মুম্বইয়ের জয়ের ফলে বাংলার ম্যাচটি কার্যত হয়ে দাঁড়ায় মরণ-বাঁচনের। শেষ ম্যাচে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতে রান রেট বাড়িয়ে নিলেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। কারণ, মুম্বইয়ের সঙ্গে সরাসরি লড়াইয়ে হারতে হয়েছিল সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের টিমকে। আর মুস্তাক আলিতে সমান পয়েন্ট হয়ে গেলে আগে গুরুত্ব পায় হেড টু হেড। সেক্ষেত্রে এগিয়ে যেত মুম্বই। তাই আজকের কর্ণাটক ম্যাচ যেনতেন প্রকারেণ জিততে হত বাংলাকে।
[আরও পড়ুন: শাস্ত্রী-কোহলি বিদায়ী আবেগে যেন ঢেকে না যায় রুক্ষ ময়নাতদন্ত]
এদিন টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করতে হয় বাংলাকে। শুরুতেই মুকেশ কুমারের দাপুটে বোলিং বাংলাকে ফ্রন্ট ফুটে এনে দেয়। মাত্র ১১ রানের মধ্যে দলের দুই তারকা ময়ঙ্ক আগরওয়াল এবং দেবদত্ত পাড়িক্কলকে তুলে নেন মুকেশ। কিন্তু এরপর মণীশ পাণ্ডে এবং করুণ নায়ার ইনিংসের হাল ধরেন। তাঁরা কর্ণাটককে পৌঁছে দেন সম্মানজনক স্কোরে। নায়ার ৪৪ এবং মণীশ ৩২ রান করেন। কর্ণাটক করে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৩টি এবং প্রদীপ্ত প্রামাণিক ২টি উইকেট পান।
[আরও পড়ুন: ‘বিশ্বকাপ না জিতলেও এই দল সর্বকালের অন্যতম সেরা’, বিদায়বেলায় দাবি রবি শাস্ত্রীর]
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব ভাল হয়নি বাংলারও। অধিনায়ক সুদীপ চট্টোপাধ্যায় টুর্নামেন্টে ভাল ফর্মে থাকলেও এদিন মাত্র ৪ রানে আউট হয়ে যান। কিন্তু তাঁর সঙ্গে ওপেন করতে আসা অভিমণ্যু ঈশ্বরণ এদিন দুর্দান্ত অর্ধশতরান করেছেন। শেষদিকে ঋদ্ধিমান সাহা এবং কাইফ আহমেদও দুরন্ত ইনিংস খেলায় দু’ওভার বাকি থাকতেই নির্ধারিত লক্ষ্য পেরিয়ে যায় বাংলা। জয়ের ফলে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নকআউটে চলে গেল বাংলা।
