নিউজিল্যান্ড: ১৫৯/৭ (গ্লেন ফিলিপস ৩৯, টিম সেফার্ট ৩৫, উইল জ্যাকস ২৩/২)
ইংল্যান্ড: ১৬১/৬ (টম ব্যান্টন ৩৩, উইল জ্যাকস ৩২ অপরাজিত, রচিন ১৯/৩)
ইংল্যান্ড ৪ উইকেটে জয়ী।
জিতলেই তারা চলে যেত শেষ চারে। কিন্তু শেষপর্যন্ত ফাইনাল ওভারে ম্যাচ হেরে নিজেদের সেমির দরজা শুক্রবার খুলতে পারল না নিউজিল্যান্ড। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল ইংল্যান্ড। তারা অবশ্য সেমিফাইনালে আগেই চলে গিয়েছে। বরং তাদের জয়ে বেশি খুশি বোধহয় পাকিস্তান। কারণ এই জয়ে বিশ্বকাপে এখনও খাতায় কলমে টিকে রইল তারা।
এদিন টসে দিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। কিউইদের শুরুটা ছিল জমজমাট। দুই ওপেনার যেভাবে স্কোর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মনে হচ্ছিল দু'শো রানের গণ্ডি অনায়াসে পেরনো সম্ভব। সপ্তম ওভারের শেষ বলে আদিল রশিদ তুলে নেন টিম সেফার্টকে। বড়সড় লেগস্পিনের ফাঁদে পা দিয়ে তিনি (৩৫) ফেরার পরপরই ফিরলেন ফিন অ্যালেনও (২৯)। তাঁকে ফেরান জ্যাকস। তুলে মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিলেন তিনি। স্কোর ৬৪/০ থেকে ৬৬/২! এরপর গ্লেন ফিলিপস (৩৯) ছাড়া আর কেউই টিকতে পারেননি। কুড়ি ওভারে নিউজিল্যান্ড তোলে ১৫৯/৭। যেখানে ১৪ ওভারে স্কোর ছিল ১২৩/৩, সেখানে শেষ ৬ ওভারে মাত্র ৩৬ রান ওঠে! নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন বোধহয় তখনই শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও ভালো লড়াই করে তারা ম্যাচটা নিয়ে গেল শেষ ওভার পর্যন্ত।
কিউইদের শুরুটা ছিল জমজমাট। দুই ওপেনার যেভাবে স্কোর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মনে হচ্ছিল দু'শো রানের গণ্ডি অনায়াসে পেরনো সম্ভব।
১৬০ রান তেমন বড় টার্গেট মনে হচ্ছিল না। কিন্তু ইংল্যান্ড যেন ঠিক করে নিয়েছিল তারা ম্যাচটাকে কঠিন করে তুলবেই। ২ রানে তারা হারাল ২ উইকেট! ব্রিটিশ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক লড়াই শুরু করলেন জ্যাকব বেথেলকে সঙ্গে নিয়ে। ইংল্যান্ড আগেই সেমিফাইনালে চলে গিয়েছে। ফলে তাদের কাছে এটা স্রেফ নিয়মরক্ষার খেলা। কিন্তু নিউজিল্যান্ড জানত সেমিতে যেতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। ব্রুক ও জ্যাকবের জুটি টিকল ৫০ রান পর্যন্ত। এরপরই ব্রুক (২৬) ফিরলেন। খানিক পরে জ্যাকবও (২১)। স্যাম কারান (২৪) ভালো খেলতে খেলতেই তুলে মারতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিলেন। স্কোর তখন ১০০/৫।
যত সময় গড়াচ্ছিল ততই ম্যাচের ভাগ্য পিংপং বলের মতো একবার এদিক, একবার ওদিক করছিল। এভাবে চলতে চলতে একেবারে শেষে ১২ বলে ২১ বাকি ছিল। ১৯তম ওভারে শেষ ওভারে মাত্র রেহানের একটি বাউন্ডারি ও লং অফের উপর দিয়ে মারা ছক্কায় ইংল্যান্ড পেয়ে গেল ১৬ রান। অর্থাৎ মাত্র ৫ করতে হবে শেষ ওভারে। ইংল্যান্ড সেটা তুলে ফেলল তিন বলেই।
