শুভায়ন চক্রবর্তী: ভারত-পাক ম্যাচের (IND vs PAK) শেষে শাহিন আফ্রিদিদের সঙ্গে হাত মেলাননি সূর্যকুমার যাদবরা। সেই 'অখেলোয়াড়ি' আচরণের প্রতিবাদেই নাকি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করেছে পাকিস্তান। ম্যাচের পর থেকেই এই তত্ত্ব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্রিকেটমহলে। কিন্তু যাবতীয় চেষ্টা সত্ত্বেও পাকিস্তানের 'নাটক' ফাঁস হয়ে গিয়েছে। কেন সলমন আলি আঘারা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এলেন না, তার প্রকৃত কারণ প্রকাশ্যে এসেছে।
রবিবার ভারত-পাক ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনার আবহ ছিলই। তার মধ্যেই টস করতে নামে দুই দল। টস পরিচালনা করছিলেন রবি শাস্ত্রী। টস সেরে একে অপরের বিরুদ্ধে হাত মেলাননি দুই অধিনায়ক। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেও পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়েই ড্রেসিংরুমে চলে যায় টিম ইন্ডিয়া। সাজঘরের দরজাও বন্ধ করে দেন হার্দিক পাণ্ডিয়ারা। সেকারণেই নাকি সঞ্জয় মঞ্জরেকর পরিচালিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করেছে পাকিস্তান, এমন তত্ত্ব পেশ করেন পাক কোচ মাইক হেসন।
কিন্তু পাক দলের এই বয়কটের নেপথ্যে সূর্যদের কোনও ভূমিকাই নেই! জানা গিয়েছে, পাক দলের মূল আপত্তির কারণ হলেন দুই ভারতীয় প্রাক্তনী-রবি শাস্ত্রী এবং সঞ্জয় মঞ্জরেকর। তাঁরা টস এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। পাকিস্তানের মতে, পাক ধারাভাষ্যকারদের সুযোগ দেওয়া হয়নি। সেই 'বঞ্চনা' থেকেই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করে পাক দল। মাঠ থেকে বেরিয়ে এই মর্মে পাকিস্তানের তরফ থেকে অভিযোগও জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ভারতীয় দল থেকে শুরু করে সম্প্রচারকারীরা-সকলেই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে পাকিস্তানের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু শাহিনরা না আসায় ১১ মিনিট দেরিতে অনুষ্ঠান শুরু হয়।কিন্তু আসল কারণ আড়াল করে ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে হেসন বলেন, যেহেতু ভারত ম্যাচ শেষে হাত মেলায়নি, সেই আচরণের প্রতিবাদেই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন মহম্মদ হ্যারিসরা। প্রশ্ন উঠছে, অনুষ্ঠান বয়কট নিয়ে পাক কোচ যখন মুখ খুললেনই, তাহলে মিথ্যাচার করলেন কেন?
