ভিভিএস লক্ষ্মণ: গত তিন মাস ভারতীয় ক্রিকেটের টালমাটাল অবস্থা এবার ভোলার সময় এসেছে। বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়ার ধাক্কা সামলানো সত্যিই কঠিন। গোটা দেশ বিরাট কোহলিদের সমালোচনায় মেতেছিল। আশা করা যায় এখন সে সব থিতিয়েছে। সবাই দেখতে চাইবে একঝাঁক তরুণ মুখ নিয়ে টি-২০ ফরম্যাটে শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত কী করতে পারে।
[আরও পড়ুন: কোহলির ‘স্কোয়াডে’ নেই রোহিত! নেটিজেনদের কটাক্ষের মুখে ভারত অধিনায়ক]
সিরিজে তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলবে ভারত। যার শুরু ফ্লোরিডায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সৌজন্যে আমেরিকার এই বাইশ গজ সবার কাছে পরিচিত নাম। উইকেটে রান আছে। বিশ্বাস করি, এই তিন ম্যাচে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়বে কোহলিরা। কারণ, এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। এমন এক ফরম্যাট, ওরা যা বরাবর ভালবেসেছে। দলে প্রচুর ম্যাচ উইনার আছে। তবে এই ফরম্যাটে কেউ ফেভরিট হয় না। কোহলিকে বলব, বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ভুলে মন খুলে খেল।
[আরও পড়ুন: বিরাটদের কোচ হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়]
প্রত্যেক বিশ্বকাপের পর নির্বাচকরা দলে বদল এনে থাকেন। এবারও হয়েছে। যে ভারতীয় বোলিং নিয়ে এতদিন গর্ব করেছি, সেটাই এবার চ্যালেঞ্জের সামনে। কোহলিদের ভরসা রাখতে হবে খলিল আহমেদ, দীপক চাহার, নভদীপ সাইনিদের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের উপর। ভুবনেশ্বর বা রবীন্দ্র জাদেজাদের বিশ্রাম দেওয়া হোক। প্রয়োজনে খেলুক। চাহাররা আইপিএলে ভাল পারফরম্যান্স করেছে বলেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছে। ভয় না পেয়ে ভরপুর আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামতে বলব ওদের। এটাও বলব, চাপ নিয়ে পারফর্ম করতে তোমরা অভ্যস্ত। আইপিএলে পারলে এখানে নয় কেন? আমি বিশ্বাস করি, কঠিন পরিস্থিতি থেকেই নতুন নায়কের জন্ম হয়। খলিলদের কাছে তাই সুবর্ন সুযোগ। ভাল কিছু করে দেখাতে পারলে ভবিষ্যতে পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না।
কয়েক মাস আগের কথা। ভারতীয় দলের ফোকাস ছিল পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে। এখন ফোকাস টি২০-তে। কারণ পরের বছর টি-২০ বিশ্বকাপ। এখন থেকে সেই টুর্নামেন্টের জন্য কোর গ্রুপ তৈরি করতে হবে। তরুণদের বেশি সুযোগ দিতে হবে। এই টুর্নামেন্টকেই পাখির চোখ করা উচিত ভারতের।
