চেন্নাই সুপার কিংস: ২০৯/৫ (আয়ুষ ৭৩, শিবম দুবে ৪৫, বিজয়কুমার ৩৮/২)
পাঞ্জাব কিংস: ২১০/৫ (শ্রেয়স ৫০, প্রভসিমরন ৪৩, কম্বোজ ৪৩/২)
৫ উইকেটে জয়ী পাঞ্জাব।
ধোনি এখনও মাঠে নামেননি। চেন্নাইও যেন শপথ করেছে থালা না ফিরলে জয়ে ফিরবে না তারাও। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও পরাজিত হল চেন্নাই। ২০৯ রান বোর্ডে তুলেও। অন্যদিকে পাঞ্জাব গুজরাটের পর চেন্নাইয়ের মতো আরেক 'দানব'কে হারিয়ে কার্যতই সপ্তম স্বর্গে। লম্বা লিগ হলেও শুরুর এই জয় যে পাঞ্জাবকে এগিয়ে চলার শক্তি জোগাবে তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে চাপ বাড়ল ধোনির দলের।
এদিন টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরুতেই ফিরে যান সঞ্জু স্যামসন। সেই ধাক্কা সামলেও চেন্নাই চালিয়ে খেলতে থাকে। পাওয়ার প্লে-র প্রথম ৬ ওভারে উঠল ৫৭ রান। রুতুরাজকে (২৮) সঙ্গে নিয়ে ঝড় তোলেন আয়ুষ মাত্রে। ৪৩ বলে করে যান ৭৩। ৬টা বাউন্ডারি, ৫টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর ক্যাচ শশাঙ্ক ফেলে দিলেও সেই সুযোগ কাজে লাগানো হল না তাঁর। শেষের দিকে শিবম দুবের (অপরাজিত ৪৫) দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভর দিয়ে ২০০ পার করে ধোনিহীন চেন্নাই। সরফরাজ খান করেন ১২ বলে ৩২। রান ওঠে ৫ উইকেটে ২০৯ রান। বোলারদের মধ্যে যুজবেন্দ্র চাহাল ৩ ওভারে ২১ রানে তোলেন ১ উইকেট। জোড়া উইকেট তোলেন বিজয়কুমার (৩৮/২)।
জবাবে চেন্নাইয়ের শুরুটাই ছিল ধুঁয়াধার। প্রিয়াংশু আর্য প্রথম বলেই বাউন্ডারি মারেন। পরের বলেই ছয়! মাত্র ১১ বলে ৩৯ রান করে বোল্ড হন তিনি। মাত্র ৪.২ ওভারে ততক্ষণে উঠে গিয়েছে ৬১। নবম ওভারে আউট হন প্রভসিমরন সিং। ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হয়ে যান তিনি (৪৩)। তাও রানের গতি কমেনি। কুপার কনোলি (৩৬) বেশ ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু তিনি ফিরলেন ৩৬ রানে। ১৩ ওভার শেষে পাঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ১৪৩/৩। তবে অধিনায়ক শ্রেয়সের চমৎকার ইনিংসে কোথাও পাঞ্জাবকে হোঁচট খেতে হচ্ছিল না। চমৎকার অর্ধশতরান করে গেলেন শ্রেয়স। অফস্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরে ফিরলেন তিনি (৫০)। মারলেন তিনটি ছক্কা ও চারটি বাউন্ডারি। এরপর আউট হন নেহাল ওয়াধেরাও। তবে ততক্ষণে ম্যাচটা পাঞ্জাবের পকেটে ঢুকে পড়েছে। শেষপর্যন্ত প্রত্যাশামতোই তারা জয় ছিনিয়ে নিল ৮ বল বাকি থাকতেই।
