মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৯৫/৬ (ডি’কক ১১২ অপরাজিত, নমন ধীর ৫০, অর্শদীপ ২২/৩)
পাঞ্জাব কিংস: ১৯৮/৩ (প্রভসিমরন ৮০ অপরাজিত, শ্রেয়স ৬৬, গজনফর ৩১/২ )
পাঞ্জাব ৭ উইকেটে জয়ী।
হারের হ্যাটট্রিক। সেই জ্বালাও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে (MI) জয়ের সরণিতে ফেরাতে পারল না। সূর্যকুমারদের হেলায় হারালেন শ্রেয়সরা। স্কোরবোর্ডে দু'শোর কাছে রান তুললেও বোলিংয়ে সামান্য প্রতিরোধও গড়তে পারল না মুম্বই। ফলাফল, আগের তিন ম্যাচের মতো ফের হেরেই ছাড়তে হল স্টেডিয়াম।
এদিন টসে জিতে রান তাড়া করারই সিদ্ধান্ত নেয় পাঞ্জাব (PBKS)। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বিরাট ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটিং অর্ডার। পরপর দু'বলে রায়ান রিকেলটন ও সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে দেন অর্শদীপ সিং। স্বাভাবিক ভাবেই সূর্য গোল্ডেন ডাকের সৌজন্যে আরও চাপে পড়লেন। এরপরই খেলা ধরে নেন কুইন্টন ডি’কক। রোহিত চোট পাওয়ায় তিনি সুযোগ পেলেন। আর তাতেই বইয়ে দিলেন ঝড়। আইপিএল কেরিয়ারের তৃতীয় শতরান (১১২) ছিনিয়ে নিলেন। মাত্র ৬০ বলের ইনিংসে ৮টি বাউন্ডারি ও ৭টি ছক্কা। অর্ধশতরান করলেন নমন ধীরও (৫০, ৩টি করে বাউন্ডারি ও ওভারবাউন্ডারি)। ৬৮ বলে ১২২ রানের জুটি ভাঙেন শশাঙ্ক সিং। ডি'কক অবশ্য নটআউট থেকে গেলেন। এদিকে এদিন হার্দিকের আউটটি দিনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হয়ে রইল। একেবারে সীমানার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। বাউন্ডারির বাইরে ক্যাচ লুফেও তিনি বল ওপারে ছুড়ে দেন। লুফে নেন বার্টলেট। নির্ধারিত কুড়ি ওভারে মুম্বই তোলে ৬ উইকেটে ১৯৫। অর্শদীপ চমৎকার বল করে ২২ রানে ৩ উইকেট পান। বোঝাই যাচ্ছিল পাঞ্জাবকে আটকানো কঠিনই হতে চলেছে। বিশেষ করে যেখানে পরপর তিন ম্যাচ হেরে বসে আছেন সূর্যকুমাররা।
পাওয়ার প্লে-র মধ্যে দু'টি উইকেট অবশ্য পাঞ্জাব হারিয়েছিল। কিন্তু কখনওই মনে হয়নি তারা লড়াই থেকে সরে যাচ্ছে। প্রভসিমরন সিংকে সঙ্গে নিয়ে অধিনায়ক শ্রেয়স অনায়াসেই ম্যাচ নিয়ে চলে গেলেন। দলের ১৮৪ রানের মাথায় শ্রেয়স (৬৬, ৫টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা) যখন ফিরলেন ম্যাচ ততক্ষণে শেষই হয়ে গিয়েছে। পরপর দু'টো ছক্কা হাঁকানোর পরের বলে আউট হওয়ার আগে অবশ্য তিনি প্রতিযোগিতায় তাঁর তৃতীয় অর্ধশতরানটি কুড়িয়ে নিয়েছেন। অন্যদিকে প্রভসিমরন অপরাজিত রইলেন ৮০ রানে। মেরেছেন ১১টি চার ও জোড়া ছক্কা। ২১ বল বাকি থাকতে থাকতেই জয় ছিনিয়ে নিল পাঞ্জাব।
