বৈভব বনাম বুমরাহ। একজন ১৫ বছর বয়সেই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। অন্যজন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। দু'জনের দ্বৈরথ দেখার জন্য মুখিয়ে ছিল ক্রিকেট দুনিয়া। সেখানে বুমরাহর প্রথম বলেই বিরাট ছক্কা হাঁকাল বৈভব সূর্যবংশী। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ছোট অথচ কার্যকরী ইনিংসে নয়া রেকর্ডও গড়ল রাজস্থান রয়্যালসের তারকা। তারপর সোশাল মিডিয়ায় মাত্র তিন শব্দে বার্তা দিয়ে রাখল বৈভব।
মঙ্গলবার গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে রাজস্থান বনাম মুম্বই ম্যাচ হয়েছিল ১১ ওভার করে। সেখানে প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান। বুমরাহ এলেন দ্বিতীয় ওভারে। সামনে বৈভব। বুমরাহর প্রথম বলটাই ছিল ইয়র্কর দেওয়ার চেষ্টা। সেই চেষ্টায় সফল হননি বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার। উলটে ফুল লেংথের বল হয়ে যায়, যা অনায়াসে মাঠের বাইরে ফেলে দেয় বৈভব। তারপর বুমরাহ মুখে হতাশার হাসি। যেন বুঝেই গিয়েছিলেন, বৈভব তাঁকেও ছেড়ে কথা বলবে না। সেটাই হল।
শেষ পর্যন্ত ১৪ বলে ৩৯ রান করে শার্দূল ঠাকুরের বলে আউট হয়। ততক্ষণে হাঁকিয়েছে ৫টি ছয় ও একটি চার। এর মধ্যেই আইপিএলে ৩৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে ফেলেছে সে। কিশোর ক্রিকেটার হিসেবে এর আগে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ছয় মারার নজির ছিল ঋষভ পন্থ ও ঈশান কিষানের। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই সেই রেকর্ড ভেঙে দিল বৈভব। তারপর সোশাল মিডিয়ায় লিখেছে, 'সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।' মাত্র তিন শব্দেই বার্তা দিয়ে রাখল বৈভব। আবার ম্যাচ জিতে আনন্দে নেচেও উঠল সে।
ম্যাচের পর তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রতিপক্ষ ক্রিকেটাররাও। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া বৈভবকে জড়িয়ে ধরেন। কাঁধ চাপড়ে দেন। পরে হার্দিক বলেন, "ওর শট দেখতেও ভালো লাগে। বৈভব প্রচণ্ড সাহসী। ওকে ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।" অন্যদিকে মুম্বই কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে বলেন, "ও যেভাবে উন্নতি করছে তা দেখে ভালো লাগছে। বোলারদের ও অনায়াসে শাসন করছে।"
