ঘোষিত আইপিএলের প্লেঅফ ও ফাইনালের ভেন্যু। সাধারণত গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলের মাঠেই ফাইনালের আসর বসে। সেই হিসেবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামীতে ফাইনাল হওয়ার কথা। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। আইপিএলের ফাইনাল হবে গুজরাটের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। গতবারও এই মাঠেই ফাইনাল হয়েছিল। অন্যদিকে ২৬ মে কোয়ালিফায়ার ধরমশালায়। তারপর ২৭ মে এলিমিনেটর ও ২৯ মে কোয়ালিফায়ার ২ হবে নিউ চণ্ডীগড়ে। ৩১ মে ফাইনাল হবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।
লিগ পর্বে ৭০টি ম্যাচ। এখন আইপিএলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। কোন দল প্লেঅফে যায়, তাই নিয়ে লড়াই তুঙ্গে। এবার প্লেঅফ ও ফাইনালের চারটি ম্যাচ হবে তিনটি ভেন্যুতে। বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি দেবজিৎ সইকিয়া জানিয়েছেন, পরিচালনা ও আয়োজনের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবারের রানার্স আপ পাঞ্জাব কিংস। ধরমশালা ও নিউ চণ্ডীগড় অর্থাৎ মুল্লানপুর, দু'টো স্টেডিয়ামই তাদের ঘরের মাঠ। কিন্তু কেন চিন্নাস্বামীতে ফাইনাল হবে না? কারণ হিসেবে স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থা ও প্রশাসনের দাবিদাওয়ার কথা বলা হয়ছে। বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছ, 'ফাইনাল আয়োজনের জন্য বেঙ্গালুরুকে মনোনীত করা হয়েছিল। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার দাবিদাওয়া বিসিসিআইয়ের নিয়মনীতির বাইরে। তাই ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে।'
তবে এর নেপথ্যে রাজনৈতিক যোগ আছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি কর্নাটকের কংগ্রেস বিধায়ক বিজয়ানন্দ কাশাপ্পানাভার দাবি করে বসেন, সব বিধায়ককে পাঁচটি করে ভিআইপি টিকিট দিতেই হবে। কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা তাতে আপত্তি জানানোয় ‘শিক্ষা’ দেওয়ার কথাও বলেছিলেন বিধায়করা। এতে কর্নাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার আবার জানান, পাঁচটা নয়, বিধায়করা তিনটে করে টিকিট পাবেন। বিধায়কদের এই দাবিতে যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বোর্ড। আগেই জানানো হয়েছিল কর্নাটক বোর্ড ও সরকার যদি এই সমস্যার সমাধান না করতে পারে, তাহলে ফাইনাল সরিয়ে দেওয়া হবে। সেটাই হল।
উল্লেখ্য, গতবারও ফাইনাল হয়েছিল নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। যদিও প্রথমে তা কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অপারেশন সিঁদুরে কিছুদিন আইপিএল বন্ধ থাকার পর আবহাওয়ার কারণে ফাইনাল কলকাতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
