দলীপ ট্রফি ফাইনালে নয়া নজির গড়লেন ঈশান কিষান (Ishan Kishan)। চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে দলীপ ফাইনালের দ্বিতীয় দিনের শেষে পূর্বাঞ্চলের রান ৭০৮। যার মধ্যে একা অধিনায়ক ঈশানের রানই ২৭০। একা হাতেই কার্যত দক্ষিণাঞ্চলের থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিচ্ছেন। আর সেই সঙ্গে চর্চা, টি-টোয়েন্টির পর এবার কি টেস্ট দলের দাবিদার হয়ে উঠলেন ঈশান?
চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পূর্বাঞ্চল। বৈভব সূর্যবংশী ও বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরণের জুটিতে ১০০ রানে উঠে যায়। মাত্র ৩৭ বলে ৪৪ রানে আউট হয় বৈভব। অভিমন্যু চিরাচরিত ঢংয়ে ৮৬ বলে ৭২ রান করে যান। শিখর মোহন ৮৫ রান করেন। রান পাননি বাংলার সুদীপ কুমার ঘরামি। ঈশানকে অবশ্য টলানো যায়নি। প্রথম দিনের শেষে ১৩৫ বলে ১১১ রান করে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনে মহম্মদ সিরাজদের কার্যত একা হাতে শাসন করেন। সেঞ্চুরি করেন কুমার কুশাগ্র।
পূর্বাঞ্চলের ইনিংস শেষ হয় ৭০৮ রানে। মাঝে কিছুক্ষণের জন্য মাঠের বাইরে যান ঈশান। পরে ফিরে এসে রান আরও কিছুটা বাড়িয়ে দেন। ইনিংস জুড়ে মারেন ৩০টি চার, ছিল সাতটি ছক্কা। ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ইনিংসের পর ত্রিপুরানা বিজয়ের বলে আউট হন। তবে এর মধ্যেই নয়া নজির গড়ে ফেলেন ঈশান। দলীপ ফাইনালের ইতিহাসে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ডবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন তারকা উইকেটকিপার। এর আগে রমন লাম্বা (১৯৮৭-৮৮), অংশুমান গায়কোয়ার (১৯৮৭-৮৮), চেতেশ্বর পূজারা (২০১৬-১৭), যশস্বী জয়সওয়াল (২০২২-২৩) এই নজির গড়েছিলেন।
ঈশানের ইনিংসের পর ক্রিকেট মহলে চর্চা, এবার কি টেস্ট দলেও দেখা যাবে তাঁকে? ঋষভ পন্থ, ধ্রুব জুরেলরা উইকেটকিপার-ব্যাটার আছেন ঠিকই, তবে ঈশানও জায়গা করে নিতে পারেন। টি-টোয়েন্টির মতো বেপরোয়া ভাবে ব্যাট চালাননি। মাথা ঠান্ডা রেখে সিরাজদের সামলেছেন। খারাপ বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়েছেন। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন।
