আগের দু'টি রনজি মরশুমে ১০৪টি উইকেট। গত রনজিতে আবার প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনিই। পরিসংখ্যান কথা বলছিল তাঁর হয়ে। তবু জাতীয় দলের দরজা খুলতে অপেক্ষা করতে হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার আকিব নবিকে। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান। জশপ্রীত বুমরাহের জায়গায় শ্রীলঙ্কা সফরের ভারতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিনি। এতদিন এই নিয়ে কিছু না বললেও, এবার মুখ খুলেছেন এই পেসার।
টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়ার আগে ভারত 'এ' দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে খেলেছেন নবি। এবার সরাসরি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর অপেক্ষা। স্বপ্নপূরণের মুহূর্তে উচ্ছ্বসিত নবি। তবে জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়ার সময় যে হতাশা তাঁকে গ্রাস করেনি, তা নয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সতীর্থ সারাংশ জৈনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নবি বলেন, "হ্যাঁ, প্রত্যাশা ছিল। তবে ক্রিকেটার হিসাবে একটা মানসিকতা থাকতেই হবে। তা হল, ভালো খেলে যাওয়া। ঠিক একদিন কারও চোখে পড়ে যাবেন। আমিও জানতাম ভারতীয় দলে জায়গা পাব।"
বারবার ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হলেও লক্ষ্য থেকে সরে যাননি নবি। তাঁর কথায়, "আজ না হোক, কিন্তু ভারতীয় দলে জায়গা পাওয়ার স্বপ্ন দেখে এসেছি। অনেক বছর ধরে ভালো খেলছি। কঠোর পরিশ্রমের ফল তো কোনও না কোনও দিন পেতামই।" সাফল্যের চাবিকাঠি কী? নবির উত্তর, নিজের কাজটুকু করে যাওয়া। তিনি বলেন, "বল করার সময়েও সেটাই মাথায় রাখতাম। আমার কাজ উইকেট নেওয়া। বাকিটা ভাবার দরকার নেই।"
এই প্রথম ভারতীয় দলে ডাক পেয়েছেন নবি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে সুযোগ পেলেই তৈরি হবে আরও একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে ভারতের হয়ে মাঠে নামার নজির গড়তে পারেন তিনি। জাতীয় দলের ডাক পাওয়ার অনুভূতি নিয়ে নবি বলেন, "দলে ডাক পেলে সব সময়েই ভালো লাগে। এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে পারি না।"
