ব্রিগেডের মেগা অনুষ্ঠানে শপথগ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তিনি। শপথ অনুষ্ঠানের পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লাও।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু ভিভিআইপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ উপস্থিত ছিলেন অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। মঞ্চে ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গী শিলিগুড়ির মাখনলাল সরকার। দিল্লিতে দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। সেই মাখনলাল সরকারকে মঞ্চে সংবর্ধনা জানান মোদি। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেন তিনি। একে একে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসাবে দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, অশোক কীর্তনীয়ারাও শপথ গ্রহণ করেন।
শুভেন্দুকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা লেখেন, 'পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় স্যর শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন।' সঙ্গে নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটা ছবিও পোস্ট করেন লক্ষ্মী। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেবছর নির্বাচনে তিনি হাওড়া উত্তর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। এরপর বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এছাড়া তিনি হাওড়া সদরের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব সামলেছিলেন।
২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি লক্ষ্মীরতন শুক্লা রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পদ এবং হাওড়া সদরের জেলা সভাপতির পদ, দু'টোই ছেড়ে দেন। ক্রিকেটে সময় দিতে চান বলেই মমতাকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছিলেন। রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর, তিনি কোচিংয়ে মনোনিবেশ করেন। বাংলার কোচ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শেষ রনজি ট্রফিতে তাঁর কোচিংয়েই বাংলা সেমিফাইনাল খেলেছে। সেই তিনি এবার নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন জানালেন।
