সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজ চোপড়া। বৃহস্পতিবার টোকিওয় প্রথম থ্রোয়েই তাঁর জ্যাভলিন ৮৪.৮৫ মিটারের দূরত্ব অতিক্রম করে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে ফাইনালে প্রবেশ করলেন গত বারের বিশ্বজয়ী নীরজ চোপড়া। অন্যদিকে, ধুঁকতে ধুঁকতে ফাইনালে উঠলেন পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম। বৃহস্পতিবার ফাইনালে মুখোমুখি হবেন তাঁরা।
ফাইনালে ওঠার জন্য দরকার ছিল ৮৪.৫০ মিটারের থ্রো। সেই লক্ষ্যমাত্রা ২৭ বছর বয়সি ভারতীয় অ্যাথলিট প্রথম থ্রোতেই অর্জন করে নেন। যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ 'এ' থেকে নীরজ ছাড়াও ফাইনালে উঠেছেন জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার। তিনি দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ছোড়েন ৮৭.২১ মিটার। ৮৫.৬৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুড়ে ফাইনালে উঠেছেন পোল্যান্ডের দাউইদ ওয়েগনারও। উল্লেখ্য, জুরিখের ডায়মন্ড লিগে ৯১.৫১ মিটার ম্যামথ থ্রোয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার। নীরজকে টেক্কা দিয়েছিলেন তিনি। সুতরাং বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের লড়াইটা যে সহজ হবে না, তা এখন থেকেই বলে দেওয়া যায়।
সেরা ১২ জনকে অ্যাথলিটকে নিয়ে হবে ফাইনাল। আর সেই ফাইনালে সরাসরি উঠে নীরজ বলছেন, "প্রথম রাউন্ডে ফাইনালে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করে দারুণ লাগছে। এখন আমাকে তরতাজা থাকতে হবে। আরও মনোযোগ দিতে হবে। ফাইনালের জন্য প্রস্তুত রয়েছি।" গ্রুপ 'এ'-তে নীরজ ছাড়াও ছিলেন শচীন যাদব। তবে তাঁর থ্রো সর্বোচ্চ ৮৩.৬৭ মিটারের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেনি। ফলে সরাসরি ফাইনালে উঠতে না পারলেও দু'টি গ্রুপ মিলিয়ে দশম স্থানে থেকে ফাইনালে উঠেছেন তিনিও।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম প্রথম দু'টি থ্রোয়ে মাত্র ৭৬.৯৯ এবং ৭৪.১৪ মিটার ছুড়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে তৃতীয় থ্রোয়ে তাঁর জ্যাভলিন ৮৫.২৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার পর গ্রুপ 'বি' থেকে ফাইনালে উঠলেন পাকিস্তানি অ্যাথলিট।
পাঁচ বছর আগে এই টোকিওতেই সোনার পদক জিতে অলিম্পিকে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন নীরজ। প্রসঙ্গত, ভারত এই ইভেন্টে তিনবার পদক জিতেছে। ২০০৩ সালে অঞ্জু ববি জর্জ লং জাম্প, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে নীরজ চোপড়া। ভারতীয় অ্যাথলিটরা চাইবেন, পদক সংখ্যাটা আরও বাড়াতে।
