ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ হার। রোহিত শর্মার সেঞ্চুরিও বাঁচাতে পারেনি টিম ইন্ডিয়াকে। আবার এটাও ঠিক যে তৃতীয় ওয়ানডেতে পূর্ণশক্তির দল নামাতে পারেনি ভারত। কেন? চোট-আঘাতের সমস্যা। সেই নিয়ে ম্যাচের পর রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল। তাঁর সাফ বক্তব্য, চোটের জন্য যদি প্রতি ম্যাচেই দল বদলাতে হয়, তাহলে সেটা উদ্বেগের।
চোটের জন্য এই সিরিজ থেকে প্রথমেই ছিটকে যান হার্দিক পাণ্ডিয়া ও নীতীশ কুমার রেড্ডি। প্রথম দল ভারতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নীতীশও সুযোগ পেলে ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিচ্ছেন। এদিকে টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে বাদ গিয়েছেন হর্ষিত রানা। এঁদের তিনজনের মধ্যে একটা মিল রয়েছে। তিনজনেই বোলিং ও ব্যাটিং করতে পারেন। এখানেই সমস্যার শেষ হয়নি। ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন ওয়াশিংটন সুন্দর চোট পেয়েছেন। তৃতীয় ওয়ানডেতে তিনি ছিলেন না। এমনকী জশপ্রীত বুমরাহও চোটের জন্য শেষ ম্যাচে খেলতে পারেননি।
সেটা কি ভারতের জন্য বড়সড় বিপদসংকেত? গিল বলেন, "অবশ্যই। যে দল ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই দলটা এখানে নেই। অন্তত পাঁচজন প্লেয়ার এই ম্যাচে খেলতে পারেননি। একজন প্লেয়ার বাদ গেলেই আমাদের কম্বিনেশন বদলাতে হয়। দু'জন প্লেয়ার বদলালেও তাই করতে হয়। কিন্তু আমার মনে হয়, যদি প্রতি ম্যাচে একজন করে প্লেয়ারকে বাদ দিতে হয়, তাহলে কিছু তো একটা সমস্যা হচ্ছেই।"
এই সিরিজকে ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যা নিয়ে গিলের সংযোজন, "বিশ্বকাপকে মাথায় রাখলে আমাদের টানা ১১ ম্যাচ খেলতে হবে। কিন্তু এখানে তো একজন প্লেয়ার ২-৩টের বেশি ম্যাচই খেলতে পারছে না। একটা-দু'টো ম্যাচ খেলার পরই চোট পেয়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে অন্য কম্বিনেশন খেলাতে হচ্ছে। একদিন সকালে যদি জানতে পারি, একজনের সমস্যা হচ্ছে, তাহলে কি ঝুঁকি নেওয়া যায়? একজন ৮০ শতাংশ ফিট, তাই পাঁচজন বোলার খেলাতে হচ্ছে। কাজটা খুব কঠিন। আমি জানি না, এই সমস্যার কীভাবে সমাধান হবে!" তবে ওয়াকিবহাল মহলের মত, এক্ষেত্রে সমস্যা শুধু প্লেয়ারদের নয়। দায় পড়বে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের উপরও।
