২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের আতঙ্ক এখনও তাড়া করে দেশের ক্রিকেটভক্তদের। এবার ফের সেই আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ের জন্য নামবে টিম ইন্ডিয়া। তার আগে 'ফাঁড়া' কাটাতে অভিনব পদক্ষেপ গৌতম গম্ভীরদের। জানা গিয়েছে, ফাইনালের আগে হোটেলই বদলে ফেলছে ভারতীয় দল।
এমনিতে আহমেদাবাদের স্টেডিয়াম কুখ্যাত হয়ে গিয়েছে 'অপয়া' বলে। সূর্যকুমার যাদবরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলে স্টেডিয়ামেরও 'বদনাম' ঘুচবে। বাইশ গজে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সমানে-সমানে লড়াই তো হবেই। তবে তার আগে কোনও 'ঝুঁকি' নিতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই ফাইনালের আগে টিম হোটেলই বদলে ফেলা হল বলে খবর। কেন বদলে ফেলা হল, সেই নিয়ে কেউই মুখ খোলেননি। যদিও কারণটা নতুন করে বলার নয়। জানা গিয়েছে, ২০২৩-র বিশ্বকাপ ফাইনাল ও এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের ম্যাচের আগে এই হোটেলেই ছিল ভারতীয় দল। আর দু'টো ম্যাচেই হারতে হয়েছে টিম ইন্ডিয়াকে।
এর আগে সুপার এইটের ম্যাচে কলকাতায় আসার পরও ছিল এই হোটেল কাণ্ড। সায়েন্স সিটির উল্টোদিকের হোটেলের সঙ্গে গম্ভীরের সম্পর্ক দেড় দশকের পুরনো। কেকেআরে খেলার সময় থেকেই সেখানে থাকতেন তিনি। অধিনায়ক ও মেন্টর হিসেবে যে তিনটে আইপিএল গম্ভীর জিতেছেন, সব ওই হোটেলে থেকে। সেই ‘পয়া’ হোটেলে ভরসা রেখেই সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত।
অন্যদিকে, ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ছিল ভারতের। তার দু'দিন আগে অনুশীলন পিছিয়ে দেওয়া হয়। সোশাল মিডিয়ায় জল্পনা ছড়ায় চন্দ্রগ্রহণের জন্য নাকি ভারতীয় দল অনুশীলন পিছিয়ে দিয়েছে। সেদিন দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে গ্রহণ শুরু হয়। চলে ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। ৬টায় অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা একঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয় বলে সোশাল মিডিয়ায় জল্পনা। যদিও চন্দ্রগ্রহণের জন্য নয়, মহারাষ্ট্রে দোলের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টিম ইন্ডিয়ার সদস্যরা একসঙ্গে রং খেলেন। সেই কারণেই অনুশীলন পিছিয়ে দেওয়া হয়।
