বাছাই পর্বে ইটালির কাছে হারতে হয়েছিল। এমনকী জার্সি নামের নামগোত্রহীন দলও পয়েন্ট টেবিলে তাদের উপরে ছিল। ভাগ্যের ফেরে বাংলাদেশের জায়গায় আচমকাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো সেই সুযোগ লুফে নিতে চায় স্কটিশরা। ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী স্কটল্যান্ড। তবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও সহানুভূতিশীল তাঁরা।
শুক্রবার ম্যাচের আগে স্কটল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার মার্ক ওয়াট বলছেন, "আমরা সম্প্রতি দু'বার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছি। তাই আবারও ওদের না হারানোর কোনও কারণ নেই।" বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। এই প্রসঙ্গে ওয়াটের সংযোজন, "হোয়াটসঅ্যাপে অনেক মেসেজ পেয়েছি। আমরা জানতাম না এমনটা হবে। সব কিছু গত ১০ দিনে ঘটেছে। আমরা এমন সুযোগ পেয়ে উত্তেজিত। ভারতে বিশ্বকাপ আমাদের জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।"
ক্যারিবিয়ান দলের বিরুদ্ধে নামার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন স্কটিশ ক্রিকেটাররা। ছবি অমিত মৌলিক
তিনি আরও বলেন, "অনেকদিন পর আমরা ভারতে খেলছি। আমরা জানি এখানকার উইকেট স্পিন সহায়ক। রশিদ খান, মহম্মদ নবির সঙ্গে কথা বলেছি। ওরা এখানে নিয়মিত খেলে। কলকাতায় কীভাবে বোলিং করতে হয় সেই পরামর্শ ওদের কাছে পেয়েছি। তবে আমরা বাংলাদেশের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের বিশ্বকাপে থাকা উচিত ছিল। উপরের সারির দলকে হারানোর ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী। আমরা সবাই খেলার জন্য প্রস্তুত।"
স্কটল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার মার্ক ওয়াট বলছেন, "অনেকদিন পর আমরা ভারতে খেলছি। আমরা জানি এখানকার উইকেট স্পিন সহায়ক। রশিদ খান, মহম্মদ নবির সঙ্গে কথা বলেছি। ওরা এখানে নিয়মিত খেলে। কলকাতায় কীভাবে বোলিং করতে হয় সেই পরামর্শ ওদের কাছে পেয়েছি।
তাছাড়াও তাঁর মতে, স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ খেলা তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। "স্কটল্যান্ডে এখন অনেকেই ক্রিকেটের ব্যাপারে আগ্রহী। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আসছে। তরুণরা ক্রিকেটকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়ার কথা ভাবছে।" তবে, বিশ্বকাপে তারা চমকে দেওয়ার আশায় রয়েছে। তাঁদের যে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "আমাদের হালকাভাবে নেবেন না। আমরা বেশ কয়েকটি অঘটন ঘটিয়েছি।"
উল্লেখ্য, ইউরোপের ক্রিকেট সার্কিটে স্কটল্যান্ড বেশ সমীহ আদায় করেছে। এই দেশটি আইসিসি'র অ্যাসোসিয়েট সদস্য। শেষ তিন টি-২০ বিশ্বকাপে বেশ ভালো পাফরম্যান্স রয়েছে তাদের। ২০২৪ বিশ্বকাপে তারা হারায় ইংল্যান্ডকে। সেবার গ্রুপে তৃতীয় হয়েছিল স্কটল্যান্ড। অল্পের জন্য তারা যেতে পারেনি পরের রাউন্ডে। ২০২২ সালে স্কটল্যান্ড হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো প্রতিষ্ঠিত দলকেও। সেবারও তারা অল্পের জন্য সুপার-১২ যেতে পারেনি। আর ২০২১ সালে সুপার-১২ রাউন্ডে উঠেছিল।
