বয়কট নাটক বেশিদিন চলবে না। পরিস্থিতি বেগতিক দেখলেই পালটি খাবে পাকিস্তান। সেই দেশের প্লেয়ারদের ইতিহাসই তো সেরকম। বিশ্বকাপে পাক বাহিনীর ভারতের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে এভাবেই খোঁচা সুনীল গাভাসকর (Sunil Gavaskar)। ভারতীয় কিংবদন্তির বিশ্বাস পাকিস্তানের 'ইউ টার্ন' সময়ের অপেক্ষা।
১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। ভারতের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান। মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ‘প্রতিবাদ’ এটা। তবে আইসিসি থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘বেছে বেছে প্রতিপক্ষ ঠিক করে নেওয়াটা সেই ক্রিকেটীয় আদর্শের বিরোধী।’
যা নিয়ে সুনীল গাভাসকর বলছেন, "যখন ক'দিন পর গোটা দুনিয়া ওদের বিপক্ষে চলে যাবে, তখনই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলবে ওরা। এটা তো ওদের জন্য নতুন কিছু নয়। অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে ইউ টার্ন নেওয়ার জন্য নামডাক আছে পাকিস্তানিরা ক্রিকেটারদের। বলত, ভক্তরা চায় না। এবার হয়তো পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীরা সরকারকে এই নিয়ে প্রশ্ন করবে। অবসরের ৮-১০ দিন পর পালটি খাওয়ার রেওয়াজ চালু করে দিয়েছে ওদের ক্রিকেটাররা। ফলে এবারও হয়তো দেখা গেল ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে সেরকম কিছু ঘটবে। আমি তাতে অবাক হবে না।"
যখন ক'দিন পর গোটা দুনিয়া ওদের বিপক্ষে চলে যাবে, তখনই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলবে ওরা। এটা তো ওদের জন্য নতুন কিছু নয়। অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে ইউ টার্ন নেওয়ার জন্য নামডাক আছে পাকিস্তানিরা ক্রিকেটারদের।
গাভাসকরের মন্তব্যের সমূহ সম্ভাবনা আছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত-পাক ম্যাচের আগে পাকিস্তানের নেদারল্যান্ডস ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ আছে। সেই দু'টো ম্যাচের মধ্যে একটিতে হেরে গেলেই চাপে পড়বেন বাবর আজমরা। কারণ, ভারতের ম্যাচ বয়কট করলে নেট রানরেটে অনেক পিছিয়ে যাবে তারা। সেক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে, ২০ ওভার থাকতেই ম্যাচ হেরেছে পাকিস্তান। অন্য কোনও দল যদি বাকি ম্যাচগুলো জিতে যায়, তাহলে পাকিস্তানের বিদায়ডঙ্কা বেজে যাবে। মনে করিয়ে দেওয়া যাক, গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমেরিকার কাছে হেরেছিল পাকিস্তান।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'আমি সব সময় বিশ্বাস করি, রাজনীতি দরজা বন্ধ করে আর ক্রিকেট দরজা খোলে। এটা দুঃখের যে পাকিস্তান বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না। কিন্তু আমি সরকারের সিদ্ধান্তের পাশে আছি। এখন দেখার আইসিসি নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না।'
