রানের পাহাড়ে পূর্বাঞ্চল। ঈশান কিষানের ডবল সেঞ্চুরিতে দলীপ ফাইনালে অ্যাডভান্টেজে তারা। রান তাড়া করতে নেমে অনেকটাই পিছিয়ে দক্ষিণাঞ্চল। মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমাররা দারুণ ছন্দে। তবে লড়ে যাচ্ছেন একা তিলক বর্মা। পূর্বাঞ্চলের ৭০৮ রানের জবাবে দক্ষিণাঞ্চলের রান ৬ উইকেট হারিয়ে ২৪২। ৫৬ রানে অপরাজিত তিলক।
চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে দলীপ ফাইনালের দ্বিতীয় দিনের শেষে পূর্বাঞ্চলের রান ছিল ৭০৮। যার মধ্যে একা অধিনায়ক ঈশানের রানই ২৭০। একা হাতেই দক্ষিণাঞ্চলের বোলিংকে চুরমার করে দিয়েছেন। ব্যাট করতে নেমেও তিলক বর্মারাও খুব একটা সুবিধাজনক জায়গায় নেই। তৃতীয় দিনের শুরুতেই রিকি ভুঁইকে ফিরিয়ে দেন বাংলার পেসার মুকেশ কুমার। বেশিক্ষণ ক্রিজে ছিলেন না নারায়ণ জগদীশন। এর মধ্যে লড়াই চালান দেবদত্ত পাড়িক্কল। শ্রীলঙ্কায় দুই টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন। দলীপ ফাইনালেও ৬২ রান করেন। তাঁকেও ফেরান মুকেশ।
এরপর শুরু হয় শামির দাপট। প্রথমে শাইক রশিদ ও পরে স্মরণ রবিচন্দ্রনের উইকেট পকেটে ভরেন জাতীয় দলে 'বঞ্চিত' পেসার। তবে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে এখন একমাত্র ভরসা তিলক বর্মা। ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক। দলীপে তাঁকে অন্যরূপে দেখা যাচ্ছে। ১৩৩ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত আছেন। মাত্র ৫টি চার মেরেছেন। যা একেবারে তিলকের স্বাভাবিক খেলা নয়। তবে লাল বলের ক্রিকেটের জন্য নিজেকে বদলে নিয়েছেন। ফ্রন্ট ফুটের ব্যবহার প্রায় করছেন না বলেই চলে। তৃতীয় দিনের শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের রান ২৪২। পিছিয়ে আছে ৪৬৬ রানে।
অবিশ্বাস্য কিছু না হলে প্রথম ইনিংসে পূর্বাঞ্চল লিড পেয়ে যাবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম ইনিংসে যে দল লিড পাবে, তারাই জিতবে। অর্থাৎ জয়ের দরজায় কড়া নাড়ছে পূর্বাঞ্চল। শেষ ১৪ বছর আগে দলীপ জিতেছিল পূর্বাঞ্চল। এবার ফের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দোরগোড়ায়। নেপথ্যে ঈশানের ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ইনিংস, কুমার কুশাগ্রর সেঞ্চুরি। তারপর বল হাতে শামি-মুকেশদের দাপট। সামনে বাধা বলতে শুধু তিলক বর্মা।
