shono
Advertisement
Body Odour Causes

ঘামের দুর্গন্ধ রুখতে নাজেহাল? আতর-সাবান নয়, খাদ্যাভ্যাস বদলালেই মিলবে সমাধান

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, জিনগত বৈশিষ্ট্য, হরমোন ও রোজ যে ওষুধ খাচ্ছেন, সে সবই শরীরের গন্ধকে প্রভাবিত করে। তাই ঘামের গন্ধের কারণ হিসেবে সব সময় খাবারকে দায়ী করা যায় না।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 02:13 PM Jul 28, 2026Updated: 03:23 PM Jul 28, 2026

গ্রীষ্ম-বর্ষা মানেই ঘামের গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া মুশকিল। সাবান-সুগন্ধী ঘষেও নিষ্কৃতি মেলে না। কিন্তু জানেন কি, এই খারাপ গন্ধের উৎস অনেক সময় লুকিয়ে থাকে রোজের খাদ্যাভ্যাসেই। আমরা প্রত্যেকদিন যা যা খাই, তা-ই নির্ধারণ করে ঘামের গন্ধ উৎকট হবে, নাকি স্বাভাবিক (Body Odour)।

Advertisement


• রসুন: এতে থাকা সালফারযুক্ত যৌগ রক্তে মিশে যায়। পরে ঘাম ও নিঃশ্বাসের মাধ্যমে সেই ঝাঁঝাল গন্ধ বের হয়।
• কাঁচা পিঁয়াজ: নিয়মিত কাঁচা পিঁয়াজ খেলে যে কেবল মুখে গন্ধ হয় তা-ই নয়, ঘামেও তীব্র গন্ধ হয়।
• রেড মিট: হজম ও বডি অডর-কে প্রভাবিত করে।
• অতিরিক্ত ঝাল খাবার: ঝাল-মশলা মাত্রাতিরিক্ত খেলে ঘামের গন্ধ তীব্রতর হয়।
• অ্যালকোহল: শরীরে বিশেষ ধরনের তীব্র গন্ধ সৃষ্টি করতে পারে।
• ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়: অতিরিক্ত কফি বা এনার্জি ড্রিংক ঘামের গন্ধ বাড়িয়ে দিতে পারে।
• প্রক্রিয়াজাত খাবার: এতে থাকা অতিরিক্ত লবণ ও প্রিজারভেটিভ স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। সেই প্রভাব পড়ে দেহনিঃসৃত ঘামেও।

তবে দেহের উৎকট গন্ধ দূরও করতে পারবে সঠিক খাবারই। কৃত্রিম সুগন্ধী নিয়মিত ব্যবহার করলেও তা খানিক পরেই উবে যেতে পারে। কিন্তু শরীর যদি ভিতর থেকে সতেজ থাকে, তবে ঘামের গন্ধও অস্বাভাবিক হয় না। এ জন্য কোন ধরনের খাবার রাখবেন রোজের পাতে, জেনে নিন।

ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত ফল, যেমন কমলালেবু, পাতিলেবু, বাতাবি লেবু, মৌসম্বি লেবু, গন্ধরাজ লেবু— রোজের খাবারে নানাভাবে যুক্ত করা যেতে পারে। যে কোনও ধরনের বদগন্ধ দূর করতেই অত্যন্ত কার্যকরী ভিটামিন সি।
আপেল, শসা, তরমুজের মতো ফাইবার ও জলে ভরপুর ফল নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। সহজে দুর্গন্ধ হতে পারে না।
• পানীয় জলের বোতলে দু-একটা পুদিনা পাতা ফেলে রাখা যায়। এতে কেবল ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রিত হবে, তাই নয়। মুখের গন্ধও তৈরি হতে পারে না। ফলে দেহ-মন সতেজ লাগবে।
টক দইতে থাকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া, যা হজমে সহায়তা করতে পারে, ফলে ঘামের দুর্গন্ধও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
পালং শাক, লেটুস, ধনেপাতা ও অন্যান্য শাক পুষ্টিগুণে ভরপুর। একে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ করে পারলে আলাদা করে হজমজনিত সমস্যা কিংবা ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে মাথা ঘামাতে লাগে না।

তবে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, জিনগত বৈশিষ্ট্য, হরমোন ও রোজ যে ওষুধ খাচ্ছেন, সে সবই শরীরের গন্ধকে প্রভাবিত করে। তাই একটি নির্দিষ্ট খাবার সবার ক্ষেত্রে একই রকম প্রভাব ফেলবে—এমন নয়। যদিও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে পারলে শরীরের স্বাভাবিক গন্ধ এমনিতেই ঝাঁঝাল হতে পারে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement