বয়স ভাঁড়ানো বিতর্কে মুখ পুড়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের! অভিযোগ ওঠে, এআইএফএফ-এর নিয়মাবলির ৯.১ পরিচ্ছেদের নিয়ম ভেঙেছে তাদেরই নিজস্ব অ্যাকাডেমি! সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ফেডারেশনের অ্যাকাডেমিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদিও ফেডারেশনের সাফাই, গোটা অভিযোগই ভুয়ো। বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ বা নিষিদ্ধ করা-কোনও ঘটনাই ঘটেনি।
বৃহস্পতিবার আচমকাই খবর ছড়ায়, বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ উঠেছে ‘এআইএফএফ এলিট অ্যাকাডেমি ওড়িশা’র বিরুদ্ধে। অনূর্ধ্ব-১৮ যুব লিগ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাদের। উল্লেখ্য, ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের তারকাদের তুলে আনতে এই অ্যাকাডেমি চালু করেছে ফেডারেশন। বিখ্যাত ফরাসি খেলোয়াড় ও ম্যানেজার আর্সেন উইঙ্গার স্বয়ং এই অ্যাকাডেমির উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু ফেডারেশনের অ্যাকাডেমির বিরুদ্ধে ওঠে বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ। মিনার্ভা পাঞ্জাব অভিযোগ তুলেছিল অ্যাকাডেমি সম্পর্কে।
লক্ষ্য ছিল, প্রতিভাবান ফুটবলারদের শক্তিশালী এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সঙ্গে খেলানো। সেখানে কমবয়সি ফুটবলাররা যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছে বলেই মত ফেডারেশনের।
খবর ছড়ায়, অভিযোগ পাওয়ার পরই সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটির প্রধান বিনীত সরন নাকি জানিয়েছেন, এআইএফএফ এলিট অ্যাকাডেমি ওড়িশাকে আর এই প্রতিযোগিতায় নামতে দেওয়া হবে না। কেড়ে নেওয়া হবে অ্যাকাডেমির সমস্ত পয়েন্টও। কিন্তু রাত বাড়তেই ফেডারেশনের তরফে বলা হয়, টুর্নামেন্ট থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। একহাত নেওয়া হয় সংবাদমাধ্যমগুলিকেও। ফেডারেশনের মতে, দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে এহেন নেতিবাচকভাবে দেখানোটা মোটেই উচিত নয়।
বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে ফেডারেশনের মত, অনূর্ধ্ব ১৮ লিগ হলেও সেখানে মূলত অনূর্ধ্ব ১৬ ফুটবলারদের নামানো হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল, প্রতিভাবান ফুটবলারদের শক্তিশালী এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সঙ্গে খেলানো। সেখানে কমবয়সি ফুটবলাররা যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছে বলেই মত ফেডারেশনের। কিন্তু সেই ঘটনাকে ঘিরে বিভ্রান্তিমূলক খবর ছড়াচ্ছে বলে তোপ দেগেছে এআইএফএফ। বিবৃতিতে ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির চূড়ান্ত রিপোর্টের অংশও তুলে ধরা হয়েছে। সঙ্গে জানানো হয়েছে, লিগ থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার খবরও অসত্য এবং বিভ্রান্তিকর।
