ঠিক একমাস বাদে যুবভারতীতে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ব্রাজিল। ভারতীয় ফুটবলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় ম্যাচ। তবে ওই মেগা ম্যাচের আগেও চমক রয়েছে। সেই চমকের নাম মারকোস ইভাঞ্জেলিসতা দে মোরায়েস। গোটা দুনিয়া যাকে চেনে কাফু নামে। আগামী সপ্তাহেই একাধিক কর্মসূচি নিয়ে বাংলায় আসছেন ব্রাজিলের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক।
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর দার্জিলিংয়ে আসার কথা ব্রাজিলের প্রাক্তন এই রাইট ব্যাকের। দার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আর্য চা বাগানে প্রস্তাবিত 'সিদ্রা হিলস স্পোর্টস অ্যান্ড ওয়েলনেস রিসোর্ট'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। পর্যটকদের টানতে এছাড়াও ওইদিন পাহাড়ে তাঁর হাত দিয়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে দুটি ফুটসল ক্লাব। দার্জিলিং ওয়ারিয়র্স এফসি ও নর্থবেঙ্গল ফাইটার্স এফসি। ওই দুই দলের মধ্যে একটি প্রদর্শনী ম্যাচেরও আয়োজিত হবে। শুরুতে চা-বাগানের নিজস্ব ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা লেবংয়ের গোর্খা স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়ের।
শুধু উত্তরবঙ্গ নয়। কলকাতাতেও কর্মসূচি রয়েছে ব্রাজিলের কিংবদন্তির। আগামী সোমবার বিএনসিসিআইতে ভারতীয় ফুটবলের আগামী দিনের রোডম্যাপ এবং ফুটবল বাণিজ্য শীর্ষক একটি আলোচনা চক্রে অংশ নেবেন তিনি। সূত্রের দাবি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে একটি জার্সিও তুলে দিতে পারেন কাফু।
কাফু ব্রাজিলিয় ফুটবলের সর্বকালের সেরা ডিফেন্ডারদের অন্যতম। ১৯৯৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে অংশ নেন কাফু। ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপেই অংশ নিয়েছিলন তিনি। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য কাফু। তিনিই একমাত্র ফুটবলার যার পরপর ৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
