ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ম্যাচ খেলতে কলকাতায় আসার আগে আল-আরবির ক্রোয়েশিয়ান কোচ গোরান সাবলিচ দ্বারস্থ হন বন্ধু ইগর স্টিমাচের। আল-আরবি কোচ তাঁর বিশেষ বন্ধু স্টিমাচের থেকে ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে ধারণা নিয়ে এসিএল টু কোয়ালিফায়রের ম্যাচ খেলতে কলকাতায় এসেছেন। বুধবার যুবভারতীতে ইগরের পরামর্শ কতটা কাজে লাগে সেটা দেখার জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।
তবে এদেশে আসার আগে প্রাক-মরশুম প্রস্তুতিটা ভালোভাবেই সেরে এসেছে আল-আরবি। তুরস্কে কুড়ি দিনের প্রস্তুতির মধ্যে চারটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলে ফেলেছে আল-আরবি। তুরস্কে থাকাকালীন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ম্যাচে গোল করা মুস্তাফা জিকোর ক্লাব পিরামিড এফসির বিরুদ্ধেও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে কলকাতায় পা রেখেছে কুয়েতের এই দলটি। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে সাত দিনের প্রস্তুতি নিয়েছে তারা। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে প্রস্তুতিতেও যে খামতি রাখেনি, সেটাও বোঝা যায়, এখানে ম্যাচের চারদিন আগে পৌঁছে যাওয়া দেখেই। লাল-হলুদের আক্রমণভাগকে যথেষ্টই গুরুত্ব দিচ্ছেন এই ক্রোয়েশিয়ান কোচ।
এই আল-আরবি দলে ছয় বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। এঁদের মধ্যে দুই ব্রাজিলিয়ান। তাঁদের একজন সেন্টার ব্যাকে খেলেন নাম শেলডন। অপরজন আক্রমণাত্মক ফুটবলার লুকাস সালং। বাকি চারজনের মধ্যে নাইজেরিয়ান আইওয়ালা, উইঙ্গার আনায়া সেনেগালের স্টপার জোহের রসৌল ও ইথিওপিয়ার কিনিয়ান মালেঙ্কা। | আর রয়েছেন প্যালেস্তাইনের জাতীয় দলে মহম্মদ রশিদের সঙ্গে একসঙ্গে খেলা জাহিদ কানবার। এঁদের মধ্যে আবার ইথিওপিয়ার মালেঙ্কা আইএসএল খেলে যাওয়া ফিকরু তাফেরার বন্ধু।
এদিন ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে আল আরবি কোচ সাবলিচ বলেন, "খুব ভালো দলের বিরুদ্ধে খেলতে চলেছি। বিশেষ করে নিজেদের মাঠে, নিজেদের সমর্থকদের সামনে খেললে যে কোনও ভালো দলের বিরুদ্ধেই ম্যাচ কঠিন হয়ে ওঠে। তবে আমরা জেতা নিয়ে বিশ্বাসী।" স্টিমাচের পরামর্শ নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, "আমি ওর সঙ্গে কয়েক দিন আগেই কথা বলেছি। আমি জানি, স্টিমাচ এখানে দীর্ঘদিন কাজ করেছে। ওর কাছ থেকে জেনেছি, ভারতের লিগ এখন অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রতিযোগিতাটিও যথেষ্ট ভালো এবং আকর্ষণীয়। ভারতীয় ফুটবলের জন্য এটি অবশ্যই ভালো বিষয়।"
