বিশ্বকাপে মেসিদের বিরুদ্ধে ম্যাচে বিতর্কের জন্য শিরোনামে আসেন। এবার ফের চর্চায় মিশরের কোচ হোসাম হাসান (Hossam Hassan)। তবে ফুটবলের জন্য নয়। ছুটিতে গিয়ে দুই স্ত্রীর মধ্যে মারামারিতে ফাঁসলেন ৬০ বছর বয়সি কোচ। ঘটনা এমন দিকে এগোয় যে, অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। জ্ঞান ফিরতেই অবশ্য সমস্যার একটি 'সমাধান' খুঁজে পান হোসাম। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্সই দিয়ে দেন তিনি।
জানা গিয়েছে, মিশরের উত্তর প্রান্তে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন কোচ। সেখানে ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী দিনা মোস্তাফা। যিনি আবার ড্যান অ্যাডাম নামে বেশি পরিচিত। হোটেলের ক্যাফেতে দু'জনে বসেছিলেন। সেই সময় এসে হাজির হন হোসামের প্রথম স্ত্রী হোয়াইদা আল-ঘারবাই ও তাঁর সন্তানেরা। দু'জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। যা ক্রমে হাতাহাতিতে পরিণত হয়। অ্যাডামের দাবি, তাকে কেউ একজন গরম কফি ছুড়ে মেরেছিল। তিনিও পালটা থাপ্পড় মারেন, চুল টানাটানি শুরু করেন।
এই অবস্থায় হোসাম কী করবেন? প্রথমে দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা থামাতে যান। কিন্তু তাতে ব্যর্থ হন। চাপ সামলাতে না পেরে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে পুলিশ এসে হোসামের দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা থামায়। এরপরই হোয়াইদাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স দিয়েছেন হোসাম। তবে প্রথম স্ত্রীর উকিল বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
হোয়াইদার সঙ্গে হোসামের বিয়ে বহু বছর আগের। এর আগে ২০২২-এ একবার ১০ দিনের জন্য বিচ্ছেদ হয়েছিল। পরে সব ঠিক হয়ে যায়। মিশরের আইন অনুযায়ী, একজন মুসলিম পুরুষ একসঙ্গে চারটে বিয়ে করতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে অন্য স্ত্রীদের আইনত সেটা জানাতে হবে এবং সব স্ত্রীদের সমান চোখে দেখতে হবে। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হারতে হয়েছিল মিশরকে। ম্যাচ শেষে ক্ষোভ উগরে দিয়ে হোসাম বলেছিলেন, "আর্জেন্টিনা সমস্ত বিভাগে ফিফার সাহায্য পাচ্ছে। এই ম্যাচ চুরি করা হয়েছে। ওরা চায় মেসি আরও কিছুক্ষণ খেলুক।"
