বিশ্বকাপে চার ম্যাচে চার গোল। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচেই সেরার তকমা। রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচেও নজরকাড়া পারফরম্যান্স। আবার মাঝে অযথা ঝুটঝামেলাতেও জড়াচ্ছেন না। নেই প্রতিপক্ষ ফুটবলারের সঙ্গে বচসা বা হাতাহাতির কোনও প্রসঙ্গও। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিরুদ্ধে নামার আগেও চর্চায় তিনি।
ব্রাজিলের জার্সিতে যেন নতুন রূপে পাওয়া যাচ্ছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। এতদিন জাতীয় দলের পারফরম্যান্স বলার মতো ছিল না তাঁর। ভিনির এই উন্নতির নেপথ্যে কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি একাই ফ্যাক্টর, তা নয়। আছেন আরও একজন। যাঁর প্রভাবের কথা উদাত্ত কণ্ঠে স্বীকার করেন স্বয়ং ইটালীয় কোচ।
তিনি, মারিসা সান্তিয়াগো। মারিসা পেশায় মনোবিদ। পাশাপাশি ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অফ মিনাস গেরাইসের থেকে ক্রীড়াবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতকোত্তরও করেছেন। তাঁকে পুরোদমে কাজে লাগানো হয় আন্সেলোত্তি আসার পর। সাধারণ মনোবিদ হিসাবে ফুটবলারদের মানসিক চাপ কমানোই মারিসার একমাত্র কাজ নয়। বরং কীভাবে তাঁদের পারফরম্যান্স আরও ভালো করা যেতে পারে, সেদিকেও নজর থাকে তাঁর।
মারিসা কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপিতে বিশেষজ্ঞ। এর মাধ্যমে মানুষের চিন্তাভাবনা, আবেগ এবং আচরণের মধ্যে সংযোগ খুঁজে বার করা হয়। ব্রাজিল শিবিরে এই থেরাপি কাজে লাগিয়েছেন মারিসা। যার ফলে মাঠে একদিকে উন্নতি হয়েছে ভিনিসিয়াসের খেলায়। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের সঙ্গে অযথা লড়াইয়ের প্রবণতাও কমেছে তাঁর। উল্লেখ্য, আর্লিং হালান্ডের দলের বিরুদ্ধে নামার আগে সমর্থকদের মনে একটা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে, কোচ আন্সেলোত্তি কি ভিনিসিয়াস ও নেইমারকে জুটি হিসাবে খেলাবেন? সময়ই এর উত্তর দেবে।
